সাইফ হাসান: ডরসেটের ২৮ বছর বয়সী জেমা উইক্সের মৃত্যুর পর কেটামিনের ঝুঁকি পুনর্মূল্যায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এক করনার। জেমা প্রায় ১০ বছর ধরে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৫০০ পাউন্ড পর্যন্ত কেটামিন কিনে ব্যবহার করতেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তার বাসায় অতিরিক্ত কেটামিন সেবনজনিত বিষক্রিয়া ও মূত্রথলির মারাত্মক ক্ষতির কারণে তিনি মারা যান।
করনার ব্রেন্ডান অ্যালেন জানান, কেটামিন একটি “উচ্চমাত্রায় আসক্তিকর” মাদক, যা তরুণদের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। অনেকেই ভুলভাবে একে ক্লাস এ মাদকের তুলনায় কম ক্ষতিকর ভেবে ব্যবহার শুরু করে। তিনি সতর্ক করেন, কেটামিন সহজে ও সস্তায় পাওয়া যাচ্ছে, ফলে ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে।
উইক্স দীর্ঘদিন ধরে মূত্রথলির যন্ত্রণায় ভুগছিলেন, আর কেটামিনের অ্যানালজেসিক প্রভাব সাময়িক স্বস্তি দিলেও তা আরও ক্ষতি ডেকে আনে। অ্যালেনের রিপোর্টে বলা হয়, এমনকি সহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও উইক্স দীর্ঘদিনের জন্য মাদক থেকে দূরে থাকতে পারেননি।
সরকারকে আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে করনারের উদ্বেগের জবাব দিতে হবে। হোম অফিস জানিয়েছে, কেটামিন নিয়ে পরামর্শের জন্য তারা ড্রাগস সংক্রান্ত পরামর্শদাতা কাউন্সিলের মতামত চেয়েছে এবং প্রয়োজনে একে ক্লাস এ মাদক হিসেবে পুনঃশ্রেণিবদ্ধ করার বিষয় বিবেচনা করছে।
পরিবার এক বিবৃতিতে জেমাকে “সোনার হৃদয়ের এক সুন্দরী তরুণী” হিসেবে বর্ণনা করে বলেছে, “কেটামিন জেমাকে আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে। এই অভিজ্ঞতা যদি অন্য কারও জীবন বাঁচাতে পারে, তবে জেমা সেটিই চাইত।”















