ওয়ানবাংলানিউজ: টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র জন বিগস চ্যাঞ্চেলারের সামার বাজেটের সমালোচনা করে বলেছেন তার এই বাজেটে টাওয়ার হ্যামলেটসের বাসিন্দাদের জন্য তেমন কোন সুখবর নেই।
মেয়র লেবার পার্টি কতৃক উদঘাটিত তথ্য উল্লেখ করে আরো বলেন, রাজধানী লন্ডনের চাকুরীজনিত সমস্যা মোকাবেলায় তার ফার্লো স্কিম ব্যর্থ হয়েছে। লেবার পার্টির প্রাপ্ত তথ্যসমূহ হচ্ছে লন্ডনের ১০ লাখ ৭৪ হাজার মানুষকে ফার্লো স্কিমের আওতায় যেতে হয়েছে যা মোট কর্মজীবির ২২% ৪শ ৩৩ হাজার সেল্প এমপ্লয়েড ইনকাম সাপোর্টের অধীনে গেছেন, যা মোট কর্মজীবির ৯% ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৭শ ৬০ জন ইউনিভার্সেল ক্রেডিট এবং অন্যান্য বেনিফিটের জন্য আবেদন করেছেন যা মোট কর্মজীবির ৮.১% এবং ফেব্রুয়ারীর পর ১৬৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। লেবার পার্টির শ্যাডো চ্যাঞ্চেলার এ্যানিলিসি ডডস এমপি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন চ্যাঞ্চেলারের উচিত সবার জন্য এক তরিকা ।
এই ফর্মূলা থেকে বের হয়ে আসা। তানাহলে বেকারত্বের সংখ্যা আরো বাড়বে। এদিকে মেয়র জন বিগস করোনা ভাইরাসজনিত ক্ষতি মোকাবেলায় কাউন্সিলকে সহযোগিতা করতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, সরকারের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের ফান্ডিং ঘাটতির পরিমান হচ্চেছ ৩৫.৭২ মিলিয়ন পাউন্ড যা জন প্রতি ১০৮ পাউন্ড। মেয়র বলেন, ঢালাওভাবে ফার্লো স্কিমের অবসান দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতি বয়ে আনবে এবং আরো মানুষ চাকুরী হারাবেন। আর এজন্য ব্যাক টু ওয়ার্কের জন্য আরো বৈপ্লবিক বাজেট দরকার। চ্যাঞ্চেলারের বর্তমান অফার সুপার স্টোরের মিল ডিলেম্বর মতো এক ধরনের মনভোলানো কৌশল ছাড়া আর কিছু নয়।
মেয়র জানান, চ্যাঞ্চেলার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে তাদের ওয়ার্কারদের আগামী জানুয়ারী পর্যন্ত কাজে রাখার জন্য জন প্রতি ১ হাজার পাউন্ড দিবেন বলে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা সামান্যই সাহায্য করবে। এটা চাকুরিচ্যুতি ঠেকাতে ব্যর্থ হবে। আর তাই যে কোন ধরনের মিল ডিলেম্বর মতো কৌশল দিয়ে কাজ হবে না। তা কোন ভাবেই অর্থনৈতিক মন্দা ঠেকাবে না। কেবিনেট মেম্বার ফর রিসোর্সেস কাউন্সিলার ক্যান্ডিডা রোনাহ্ব বলেন, করোন ভাইরাসের কারনে স্থানীয় কতৃপক্ষগুলো ব্যাপক বাজেট ঘাটতিতে পড়েছে।
টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে এই ঘাটতির পরিমান ৩৫.৭২ মিলিয়ন পাউন্ড। চ্যাঞ্চেলারের বাজেটে কাউন্সিলগুলোর ঘাটতি মোকাবেলার কোন কথা নেই। অথচ অর্থনীতি যত দ্রুত নিম্নগামী হচ্ছে ততই স্থানীয় কমিউনিটি কাউন্সিলের উপর নির্ভরশীল হচ্ছেন। আর এজন্য কাউন্সিলগুলোর জন্য সরকারের আর্থিক সহযোগিতা দরকার।














