সাইফ হাসান: ইংল্যান্ডে প্রায় দশ লাখের বেশি বাড়ি খালি পড়ে থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আবাসন খাতের নেতারা। তারা এই বাড়িগুলোকে পুনরায় ব্যবহারের জন্য সরকারের কাছে একটি জাতীয় পরিকল্পনার দাবি জানিয়েছেন। লর্ড জন বার্ডসহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই দাবিতে সরকারকে চিঠি দিয়েছেন। আবাসন সংকট নিরসনে প্রতিটি খালি বাড়িকে সম্পদ হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশটিতে রেকর্ড পরিমাণ মানুষ অস্থায়ী আবাসে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
বিগ ইস্যু, ওমেনস এইড এবং শেল্টারের মতো সংস্থাগুলো আবাসন মন্ত্রী ম্যাথু পেনিফুককে একটি খোলা চিঠি পাঠিয়েছে। লর্ড জন বার্ড বলেছেন যে প্রতিটি খালি বাড়ি একটি সমস্যার লক্ষণ এবং এটি জাতীয় সম্পদের অপচয়। বর্তমানে ইংল্যান্ডে প্রায় ১৩ লাখ পরিবার সামাজিক আবাসনের অপেক্ষায় রয়েছে যার মধ্যে ৩ লাখই লন্ডনের বাসিন্দা।
হ্যাকনির ডি বিভোয়ার এস্টেটের ৪৯টি বাড়ি গত দুই বছর ধরে খালি পড়ে আছে। স্থানীয় বাসিন্দা শেরি জানান যে এসব খালি বাড়িতে মাঝেমধ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা অবস্থান নেয় এবং সেখানে মাদকের সরঞ্জাম ও রক্ত পাওয়া গেছে। কাউন্সিল এসব বাড়ি সময়মতো মেরামত না করায় স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে বেশ চিন্তিত।
হ্যাকনি কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র গাই নিকোলসন জানিয়েছেন তারা এই বাড়িগুলোকে আধুনিকীকরণ করে ৭০টি অস্থায়ী আবাসন তৈরির পরিকল্পনা করছেন। তিনি বলেন যে হোমলেস পরিবারগুলোর মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিতে কাউন্সিল তাদের সাধ্যমতো কাজ করছে। লন্ডন অ্যাসেম্বলি হাউজিং কমিটির চেয়ার জো গারবেট মনে করেন এই সমস্যা সমাধানের জন্য আরও সরকারি তহবিলের প্রয়োজন।
রেজোনেন্সের প্রধান নির্বাহী ড্যানিয়েল ব্রুয়ার বলেন যে অস্থায়ী আবাসে থাকা ১ লাখ ৩২ হাজার পরিবারের পেছনে গত বছর ২২০ কোটি পাউন্ড খরচ হয়েছে। তিনি সতর্ক করে দেন যে পর্যাপ্ত বাড়ি না থাকায় অনেক অসহায় মানুষ বিপদে পড়ছেন। আবাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে তারা খালি বাড়িগুলো ব্যবহারের সুবিধার্থে ৩৯ বিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে।
#london #housingcrisis #england #aknews #onebanglanews















