সাইফ হাসান: বেতন বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের দাবিতে ইংল্যান্ডের আবাসিক চিকিৎসকরা আজ থেকে পাঁচ দিনের টানা ধর্মঘট শুরু করেছেন। ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় চিকিৎসকরা এই কঠোর আন্দোলনে নেমেছেন। এর ফলে আগামী সোমবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শীতকালীন ফ্লু মহামারীর এই সময়ে চিকিৎসকদের ধর্মঘট রোগীদের ওপর বড় ধরণের আ*ঘাত তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছে এনএইচএস কর্তৃপক্ষ।
ইংল্যান্ডের প্রায় অর্ধেক চিকিৎসক যারা আগে জুনিয়র ডাক্তার হিসেবে পরিচিত ছিলেন তারা এই আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন। গত সপ্তাহে বিএমএ পরিচালিত এক জরিপে প্রায় ৮৩ শতাংশ চিকিৎসক সরকারের দেওয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। বর্তমানে তারা বেতন বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদী কর্মসংস্থান পরিকল্পনার দাবি জানাচ্ছেন।
বিএমএ-এর আবাসিক চিকিৎসক কমিটির চেয়ারম্যান ডাক্তার জ্যাক ফ্লেচার বলেন যে তারা পেশার মর্যাদা রক্ষায় এই ধর্মঘটে নামতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি আরও জানান যে সরকার যদি কয়েক বছরের জন্য একটি সম্মানজনক বেতন কাঠামো ঘোষণা করে তবে ভবিষ্যতে আর ধর্মঘটের প্রয়োজন হবে না। তবে সরকার প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানোর প্রস্তাব দিলেও চলতি অর্থ বছরে বেতন বাড়ানোর বিষয়ে নীরব ছিল।
স্বাস্থ্য সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং মঙ্গলবার এক বৈঠকে আন্দোলন এড়ানোর শেষ চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তা ফলপ্রসূ হয়নি। এনএইচএস ইংল্যান্ডের চিকিৎসা পরিচালক অধ্যাপক মেঘনা পণ্ডিত উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন যে এই ধর্মঘট রোগীদের জন্য অনেক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। হাসপাতালের অনেক কর্মীকে বড়দিনের ছুটিতেও এখন অতিরিক্ত কাজ করতে হতে পারে বলে তিনি জানান।
#ইংল্যান্ডনিউজ #চিকিৎসকধর্মঘট #এনএইচএস #স্বাস্থ্যসংবাদ #আন্তর্জাতিকখবর














