ব্রিটেনে খাদ্য পণ্যের দাম কমছে ধারাবাহিকভাবে

99

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ব্রিটেনে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পেলেও সুখবর হলো, মূল্যস্ফীতির হার বাড়েনি; ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মতোই চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৪ শতাংশ। অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্স থেকে প্রকাশিত উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, দাম বৃদ্ধি অব্যাহত আছে, তবে বাড়ছে গত ডিসেম্বর মাসের হারে। ওয়ারিংটন এলাকার এই নিত্যপণ্যের বাজারে আসা স্থানীয় ক্রেতা ও বিক্রেতারা বলছেন, পণ্য ও সেবার মূল্য বেড়েই চলেছে। এই মূল্যস্ফীতি কেবল ক্রেতা নয়, বিক্রেতার জন্যও সমস্যা সৃষ্টি করেছে। কারণ তাদেরও খরচ বাড়ছে।

১৬ মাস আগে ব্রিটেনে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ঠেকেছিল রেকর্ড ১১ দশমিক ১ শতাংশে। এর কারণ ছিল আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাওয়া। অবশ্য এর পর ঠেকে মূল্যস্ফীতির হার ধীরে ধীরে কমছে। কিন্তু গত বছরের শেষের দিকে এসে আর নড়াচড়া করছে না; ৪ শতাংশে দাঁড়িয়ে আছে। তবে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ডের লক্ষ্য, মূল্যস্ফীতির হারকে ২ শতাংশে নামিয়ে আনা।

মূল্যস্ফীতির হারে পরিবর্তন না থাকলেও বিচ্ছিন্নভাবে কিছু সুখবর আছে। খাদ্য পণ্যের মূল্য প্রতি মাসেই কমছে। চ্যান্সেলর জেরেমি হান্ট বলেছেন, মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে এখনও বিজয় অর্জিত হয়নি।

লেবার দলের শেডো চ্যান্সেলর রেচেল রীভস বলেছেন, মূল্যস্ফীতির হার অপরিবর্তিত থাকলেও দাম বৃদ্ধি অব্যাহত আছে।

এপ্রিল মাসে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম আবার কমবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার কি তাহলে দ্রুতি কার্যকর হবে, নাকি আরও বিলম্বিত হবে?

আবার ওয়ারিংটনের নিত্য পণ্যের বাজারে ফিরে আসি। টেনে হেঁচড়ে নামিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছেনা মূল্যস্ফীতিকে। তাই এর প্রভাবও অনুভব করছেন ক্রেতা-বিক্রেতা সকলে।