লন্ডনের বাসে-ট্রেনে ভাড়া ফাঁকি দিয়ে যাতায়াত করার কারণে বছরে ১৫০ মিলিয়ন পাউন্ড ক্ষতি হচ্ছে ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন কর্তৃপক্ষের। ভাড়া না দিয়ে যারা যাতায়াত করেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। ওয়ালথামস্টো সেন্ট্রাল লন্ডনের অন্যতম স্টেশন, যেখানে ভাড়া ফাঁকি দেয়ার ঘটনা বেশী ঘটে। টিকেট ইন্সপেকটারদের খুব বেশী সময় লাগেনা ফাঁকিবাজদের ধরতে। পুলিস সদস্য আসিফ শুক্রবার টিকিট ইন্সপেকটারদের এই কাজে সহায়তা দিতে আসেন।
২০২৩ সালে প্রায় ২০ হাজার যাত্রীকে ভাড়া ফাঁকি দেয়ার দায়ে শাস্তি দেয়া হয়। এই সংখ্যা এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২২ সালের চেয়ে বেশী। কিন্তু করোনা মহামারীর আগের সময়ের চেয়ে কম। ২০১৯ সালে ভাড়া ফাঁকি দেয়ার দায়ে প্রায় ৩০ হাজার যাত্রীকে শাস্তি দেয়া হয়েছিল। ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভাড়া ফাঁকির দায়ে শাস্তি দেয়ার ঘটনা কমে যাওয়ার কারণ হলো, মহামারীর আগের সংখ্যার যাত্রী এখনও লন্ডনের বাসে-ট্রেনে যাতায়াত করছে না।
টিকিট ইন্সপেকটারদের নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, টিকিট ফাঁকিবাজদের ধরতে গিয়ে নিজেদের ওপর ঝুঁকি সৃষ্টি না করতে। মাত্র ৪ শতাংশ যাতায়াতে ভাড়া ফাঁকি দেয়ার ঘটনা ঘটে। তবে এর কারণে জনগণের ট্যাক্সের অর্থের অপচয় হয়।















