ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আগামীর রাজনীতি ও আমার ভাবনা: বেলাল উদ্দিন সরকার তুহিন

612

মতামত ডেস্ক: বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেষা নান্দনিক জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। রাজনীতি, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িকতার এক অনবদ্য উদাহরণ এই জেলায় বিরাজমান।

জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে দেশের রাজনীতির এক বিশাল দ্বার পুনরায় উন্মোচিত হয়েছে। বিগত সময়ে যারা আওয়ামী লীগের ভয়ে ও জীবন উপভোগের প্রতি দুর্বলতা ছিল তারা বিএনপির নেতাকর্মীদের হঠাৎ বিপদে ফেলে বিদেশে ঠাঁই নিয়েছিলেন। কেউ এমন গোপন গর্তে ঢুকেছিলেন যে সেখান থেকে তারা আর এলাকায় ফিরে আসেননি। আবার অবৈধ সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী খুনি এডভোকেট আনিসুল হক এর সাথে সখ্যতা করে আড়ালে আবডালে ছিলেন কেউ। নেতাদের কেউ কেউ মুকতাদির চৌধুরীর আনুকূল্য নিয়ে শহরে চলাফেরা করতেন। মাফিয়া সন্ত্রাস তাজুল ইসলামের বগলদাবায় চলতেন কেউ কেউ। ঢাকায় আওয়ামী লীগের মন্ত্রী এমপিদের সাথে সামাজিক অনুষ্ঠানে খোশমেজাজে উপস্থিত হয়ে তাদের চাটুকারিতা করতেন অথবা হাসিনার কথিত উন্নয়নের সুনাম করে গুনগান করতেন অনেকে। এলাকায বছরের পর বছর নেতাকর্মীদের খবর রাখেননি অনেকেই। সুসময়ের পূর্বাভাসে সেই তারাই এখন বিএনপির নেতৃত্ব নিতে দিশেহারা হয়ে উঠে পড়ে লেগেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপির রাজনীতিতে বিগত সময়ে কিছু অরাজনৈতিক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছিল। দীর্ঘ এক যুগ ধরে সম্মেলন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় কিছু নেতারা পদ পদবী ধারণ করে নিজেদের মধ্যে জমিদারী ভাব চলে এসেছিল। জেলা পর্যায়ে ২/৩ বার সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক হবার পরও এখন তাদের আবার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হতেই হবে। অরাজনৈতিক ও অগণতান্ত্রিক পন্থায় হলেও তাদের সেই ‘সোনার হরিণ চাই’। এইসব পুরোনো মজ্জাগত ধারণার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপিতে কোন নতুন নেতৃত্ব বিকশিত হচ্ছিল না।

জেলা বিএনপির সম্মেলন বিগত ১২ বছরে হয়নি। যার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের যাঁরা ভিপি, জিএস ছিলেন অথবা জেলা যুবদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তাঁরা জেলা বিএনপির মূল নেতৃত্বে আসতে পারেনি। একটা বিরাট নেতৃত্বের জট সৃষ্টি হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির পদবীধারী নেতৃত্ব কেবল শহরকেন্দ্রিক ছিল। অথচ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি ১৪ টি ইউনিট ও ১০০ টি ইউনিয়ন কমিটির সমন্বয়ে গঠিত। জেলা শহর অবশ্য গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে শহর বিএনপি, সদর উপজেলা বিএনপি কমিটি রয়েছে।

বিএনপির বর্তমান মহাসচিব এর বাড়ী হলো ঠাকুরগাও। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব মির্জা আব্বাসের বাড়ি ঢাকা শহরে। ঢাকা শহরে আরো বড় বড় নেতাদের বসবাস ছিল। কিন্তু সে সময় পার্টির মহাসচিব হলেন নরসিংদীর মরহুম আব্দুল মান্নান ভূইয়া। তিনি বিএনপির মহাসচিব ছিলেন ১১ বছর। আবার মরহুম কে এম ওবায়দুর রহমানের বাড়ি ছিল ফরিদপুরের নগরকান্দা লস্করদিয়া। তাহলে কেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ক্ষেত্রে অন্যথা হবে না। কেন জেলার নেতৃত্ব বাইরে থেকে আসলে জেলা শহর কেন্দ্রিক সিন্ডিকেটটি চরম নাখোশী হন।

রাজনৈতিক পদবি নির্ধারণ হয় দলীয় আনুগত্য,
রাজনৈতিক সৃজনশীলতা, সাংগঠনিক দক্ষতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, দলের প্রতি দুর্দিনের ভূমিকা ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের গুণাবলীর উপর।

বিএনপির চেয়ারপারসন অথবা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয় সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা দেবেন। উনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তবে সিন্ডিকেট করে, দলের মূল নেতৃত্বকে ভুল বুঝিয়ে, কিছু অসাংগঠনিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে, সাংগঠনিক নিয়ম নীতিরীতি ও পদ্ধতি উপেক্ষা করে যারা অবৈধভাবে নেতৃত্ব ছিনিয়ে নিতে চান তাদের বিএনপি’র প্রতি, দলের নেতাকর্মীদের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

এমন যেকোন সিদ্ধান্ত আসলে জেলাব্যাপী বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। এটাই রাজনৈতিক বাস্তবতা।

একটা স্বাভাবিক নিয়ম হলো ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলরগণ উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন করবেন নির্বাচন এর মাধ্যমে। উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির কাউন্সিলরগণ জেলা বিএনপির নেতৃত্ব নির্বাচিত করবেন। বিগত ৫০ বছর যাবত বিএনপি এই নিয়মে পরিচালিত হচ্ছে।

ইতোমধ্যে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি ৫ বছর অতিবাহিত হয়েছে। আহবায়ক মরহুম জিল্লুর রহমান ভাই এর নেতৃত্বে নবীনগর উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, সরাইল উপজেলা বিএনপি, নাছিরনগর উপজেলা বিএনপি ও আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিল। ওই সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোস্তাক মিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে জেলা বিএনপির সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপরোক্ত সম্মেলনগুলোর সংবাদ মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারিত হয়েছিল। পরবর্তী কমিটিতে যারা নেতৃত্বে আসলেন তারাও যাচাই-বাছাই করে দলের পরীক্ষিত জেল জুলুম নির্যাতন যারা ভোগ করেছেন তাদের নিয়ে ১০১ বিশিষ্ট কমিটি জেলা বিএনপির কাছে উপস্থাপন করলে যাচাই-বাছাই করে ওই সমস্ত কমিটি অনুমোদন করা হয়। তারাই হলেন দুঃসময়ের নেতৃত্ব দেওয়া ও ত্যাগী কাউন্সিলর।
পুরোনো সিন্ডিকেটের আগ্রাসন ও তাদের অসংগঠনিক কর্মকান্ডের ফলে সৃষ্ট অব্যবস্থাপনা ঘোচাতে দলের দুঃসময়ের নেতৃত্ব ও পরীক্ষিত কাউন্সিলরদের তাদের ভোট দেয়ার অধিকার এখন হরণ করা কি সঠিক হবে?

এখন জেলা বিএনপির মূল নেতৃত্ব নির্বাচনে ভুল প্যাটার্ন প্রয়োগ করলে সারাদেশে একটা ভুল বার্তা যাবে। এতে মূলত জেলা বিএনপিতে দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় গঠিত হওয়া উপরস্থ কমিটিগুলোকে উপেক্ষা করা হলো। এতে প্রশ্ন উঠবে বিএনপির সাংগঠনিক সবলতা নিয়ে।

জেলা বিএনপির কমিটি গঠন একটি নিয়মিত সাংগঠনিক প্রক্রিয়া। দুই বছরের একটা মেয়াদ সীমিত থাকে। জেলা বিএনপির নেতৃত্ব কোন জমিদারি বন্দোবস্ত নয় যে যুগের পর যুগ সেই কমিটি টিকে থাকবে। তাহলে নতুন নেতৃত্বে সেই পুরনো সিন্ডিকেটদের ভয় কেন? কেন দুই বছরের জন্য আপনারা সাংগঠনিক পদ্ধতির প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে পারছেন না।

বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুকরণ অনুসরণ এবং সেই আলোকে দল পরিচালিত হবে তা মূল সাংগঠনিক প্রস্তাবনায় উল্লেখ রয়েছে। তবে বিএনপির চেয়ারম্যান মহোদয় যেকোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখেন।
চলমান গণতান্ত্রিক রীতিনীতি, সাংগঠনিক কাঠামো, সাংগঠনিক নির্দেশ, সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার পূর্বে এ বিষয়টি আমলযোগ্য যে, দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় ও দলীয় জিয়ন কাঠি মারফতে নির্বাচিত কাউন্সিলরগণের সাধারণ অধিকার এখন হরণ করা কোনভাবেই সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত হতে পারে না। একটা বাজে দৃষ্টান্তস্থাপন ভবিষ্যতে আরো বহু বাজে ঘটনার উৎপত্তিস্থল হয়ে ওঠে। যা যে কোন স্থিতিশীলতার পক্ষে যায় না। প্রোপাগান্ডামূলক সিন্ডিকেটের অবয়বের বাইরে গিয়ে জেলার টেকসই সাংগঠনিক বন্দোবস্ত এখন সময়ের দাবি। তাই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ সকল ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

দলের সুষ্ঠু পরিচালনার স্বার্থে ও আগামী নির্বাচনে দলের বিপুল বিজয়ের স্বার্থে জেলা বিএনপির কাউন্সিল এখন অতীব গুরুত্বপূর্ণ। জনবিচ্ছিন্ন পুরনোরা নেতৃত্বে থাকতে চান ছলে ও বলে। তারা কৌশলে পদবী আঁকড়ে ধরে রাখার জন্য সব সময় ব্যস্ত থাকেন। এটা চিরন্তন সত্য কথা। তারপরও দলের বৃহত্তর স্বার্থে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

একসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপিতে সভাপতির আসনে হঠাৎ জাতীয় পার্টির এক নেতাকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল কোনরকম কাউন্সিল ছাড়াই। সেই থেকে জেলা বিএনপির দুর্ভাগ্য শুরু হয়েছিল। আমি মনে করি, চলমান কাউন্সিল প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচন করে আমরা সেই সাপ মোচন করতে পারব। কেননা আওয়ামী লীগের দু:শাসনে যাঁরা মাঠে ছিলেন, জীবননাশের হুমকি থাকা সত্ত্বেও যারা শত নির্যাতন ভোগ করে বিএনপি নামক দলকে ভালবেসে ছিলেন তারই এখন মূল নেতৃত্বে আছেন। তারাই এখন পুরো জেলার তৃণমূলের প্রতিচ্ছবি। তৃণমূল কর্মীরা তাদের নেতৃত্বে দেখতে চায়।

জেলাজুড়ে শক্তিশালী বিএনপি গঠন করার জন্য ত্যাগীদের বিকল্প কি বিগত দিনের সুবিধাভোগীরা হতে পারে? কখনোই না। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে এই জেলা বিএনপির কমিটি গঠিত হলে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে সাংগঠনিক শক্তিমত্তার একটি নতুন বার্তা দেয়া হবে।

বয়োজেষ্ঠ নেতৃবৃন্দকে উপদেষ্টমণ্ডলীর আসনে রাখা যেতে পারে। কেননা প্রবীণ নেতারা আমাদের সৌন্দর্য। আগামীর রাজনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য বিগত দিনে পোড়খাওয়া ও বর্তমান সময়ের উদ্যম কৌশলী নেতৃত্বকে ধরে রাখা খুবই জরুরী। নানা রকম চক্রান্ত ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দলকে আগামী নির্বাচনে প্রতিটি স্থানে বিজয়ী করে আনতে হবে। তাই ব্যাকডেটেড নেতৃত্ব এখন আর কেউ চায় না।

দীর্ঘদিন এলাকার মানুষের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদেরকে নেতৃত্বের ড্রাইভিং সিটে বসানো হলে কাঙ্খিত সুফল সুফল বয়ে আনবে।

অনেকে মনে করছেন আওয়ামী লীগ নিঃশ্বেষ হয়ে গিয়েছে তাই বিএনপির মাঠ ফাঁকা। এটা আত্মঘাতী ধারণা। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আগামী দিনের রাজনীতি বড়ই জটিলতর ও বিপদসংকুল। কেননা আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতির কোপানলে এখন বাংলাদেশ। বিএনপিকে জনগণের চোখে বিতর্কিত করার জন্য অনলাইন ও অফলাইনে তারা হামলে পড়েছে। আর মাত্র কয়েক মাস পরে নির্বাচন। নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে একটি পক্ষ মরিয়া হয়ে লেগে আছে। জেলার নির্বাচনকে
নিরপেক্ষ করতে ও অপশক্তির প্রভাব মুক্ত রাখতে ফোকাস পয়েন্টগুলোতে এখন কাজ করতে হবে। তাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপিতে সঠিক নেতৃত্ব দরকার।

ইতোমধ্যে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য যে সমস্ত বক্তব্য দিয়েছেন এবং যে সমস্ত আদেশ-নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য আমাদের তা অনুকরণ অনুসরণ করতে হবে।

পরিচ্ছন্ন পরিশীলিত ও কর্মীবান্ধব রাজনীতিবিদ জনগণের চাওয়া পাওয়া বুঝবেন। প্রতিটি ভোটারকে আকর্ষণ করাতে হবে। বিগত ১৬ বছরে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। তাই এই ভোট এখন মানুষের আবেগ। তাই নেতৃত্বে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অভ্যস্ত ব্যক্তিরা আসলে এর প্রভাব ভোটের বেলায় পড়বে।

বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল।
বাংলাদেশের জনগণ বারবার এই দলকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে। বাংলাদেশের প্রতিটি রাজনৈতিক টানিং পয়েন্টে প্রথমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, পরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান সময়ে জনাব তারেক রহমানের
উজ্জল উপস্থিতি রয়েছে। অর্থাৎ জিয়া পরিবার বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ধ্রুবতারাসম। তাই স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে জিয়া পরিবারের অবদান মানুষের মনিকোঠায় বিরাজমান।

এতে প্রমাণিত হয় রাজনৈতিক অঙ্গনে পদ পদবী মূল বিষয় না হলেও ভালো নেতৃত্ব জনগণকে চরম আকর্ষিত করে।

রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপিকে আবার আসতে হবে। তাহলে দেশের প্রতিটা নাগরিক নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করতে পারবে। ভয়ংকর আওয়ামীলীগ শাসনের ক্ষত গুচিয়ে সেই ভয়ানক ট্রমাকে পেছনে ফেলে আবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাবাসী বিএনপির নেতৃত্বে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে এটাই হোক মূল চাওয়া পাওয়া।