আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রেক্সিট পরবর্তী বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে আলাপ করতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১২ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভের পর তাকে টেলিফোন করে অভিনন্দন জানাতে গিয়ে এই আমন্ত্রণ জানান ট্রাম্প।
ট্রাম্প শুরু থেকেই ব্রেক্সিট ও জনসনের সমর্থনে প্রকাশ্যেই কথা বলে আসছেন।এর আগে অক্টোবরে লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। তিনি বলেছিলেন, করবিন ব্রিটেনের জন্য ‘খুবই খারাপ’। ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দারুণ বাণিজ্য হবে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তার সহযোগী ক্যারি সাইমন্ডসকে নিয়ে ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটন যেতে পারেন তিনি। তবে ডাউনিং স্ট্রিট থেকে এখনও কোনও সূচি নিশ্চিত করা হয়নি। তবে শোনা যাচ্ছে, মার্কিন কংগ্রেসে ট্রাম্পের অভিশংসন প্রক্রিয়া মীমাংসা হওয়ার পরই তারিখ নির্ধারিত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট জনসন দাবি করেন, ব্রেক্সিটের পর যুক্তরাজ্য অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটাবে।
গত ১২ ডিসেম্বর ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে বিশাল জয় পায় বরিস জনসনের কনজারভেটিভ পার্টি। ‘ঐতিহাসিক’ জয় এনে দেওয়ার পর আগামী মাসের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন এবং ভোটারদের আস্থার প্রতিদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। জয়ী হওয়ার পর সমর্থকদের সামনে জনসন বলেন, যারা ব্রেক্সিটের জন্য ভোট দিয়েছেন, আমি তাদের হতাশ করবো না।















