শেষবারের মতো এফডিসিতে আমজাদ হোসেন

667

বিনোদন ডেস্ক: এফডিসি যেখানে কেটেছে তার জীবনের সবচেয়ে বেশী সময় আজ শেষবারের মতো তিনি গেলেন তার প্রিয় কর্মস্থলে। তবে কোন চলচ্চিত্রের শুটিং এর জন্য নয়। শেষবারের মতো নির্মাতা আমজাদ হোসেন মরদেহ এফডিসিতে নেয়া হলো তার প্রিয় মানুষদের শেষবার দেখানোর জন্য।

শনিবার সকাল ১১ টায় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানায় তার তার প্রিয়জন ও চলচ্চিত্রের মানুষরা। এরপর তার প্রিয় কর্মস্থল বিএফডিসিতে নেয়া হয়। জহুরের নামাজের পর মান্না ডিজিটাল স্টুডিওর সামনে তার জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন এফডিসির এমডি, নির্মাতা গুলজার আহমেদ,সোহানুর রহমান সোহান, বদিউল আলম খোকন,নায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস, অমিত হাসান, জায়েদ খান, সাইমন সাদিক সহ তার দীর্ঘ দিনের সহকর্মীরা।

ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার অবস্থায় গত শুক্রবার দুপুর ২ টা ৫৭ মিনিটে তিনি মারা যান। গতকাল সন্ধ্যায় এ নির্মাতার মরদেহ দেশে আনা হয়।

১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন আমজাদ হোসেন।পরবর্তী সময়ে চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় মনোনিবেশ করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি নিজেই চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। আমজাদ হোসেনের পরিচালনায় নির্মিত জনপ্রিয় ছবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘বাল্যবন্ধু’, ‘পিতা পুত্র’, ‘এই নিয়ে পৃথিবী’, ‘বাংলার মুখ’, ‘নয়নমণি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘সখিনার যুদ্ধ’, ‘ভাত দে’, ‘হীরামতি’, ‘প্রাণের মানুষ’, ‘কাল সকালে’, ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’ ‘গোলাপী এখন বিলেতে’ ইত্যাদি। গুণী এই পরিচালক ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।