আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সিরিয়ায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে যোগ দিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে শুক্রবার সমন্বিত এই হামলা চালানো হয়।
গত সপ্তাহে দামেস্কের কাছে ডৌমায় রাসায়নিক হামলা হয়। এতে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলায় অন্তত ৪০ জন মারা যায়।
ট্রাম্প বলেন, সিরিয়ার সরকার নিষিদ্ধ রাসায়নিক হামলা ব্যবহার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রও বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত রাখবে।
রাশিয়া কি বলছে?
এদিকে রাসায়নিক আক্রমণের অভিযোগকে পশ্চিমাদের ‘প্ররোচনামূলক’ আচরণ বলে দাবি করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সিরিয়ায় রুশ বাহিনীর ওপর মিসাইল হামলা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে এবং পাল্টা আক্রমণও করা হতে পারে।
ডৌমায় যা হয়েছে:
মানবাধিকার কর্মী আর চিকিৎসা সেবাদানকারীরা জানিয়েছে সরকারি বাহিনীর রাসায়নিক হামলায় ডুমায় শনিবার অনেকে নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। তবে রাসায়নিক হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকার।
রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা (ওপিসিডব্লিউ) জানিয়েছে রাসায়নিক হামলার প্রমাণ সংগ্রহ করতে ডৌমায় প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে তারা।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া নমুনা থেকে ক্লোরিন ও নার্ভ এজেন্ট ব্যবহারের সত্যতা যাচাই করা গেছে। খবর: নিউইয়র্ক টাইমস















