খেলাধুলা ডেস্ক: লক্ষ্য ৩০০ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্দান্ত বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে এই রান চ্যালেঞ্জিংই বটে। এই রান তাড়া করতে নেমে দারুণ সূচনা করেছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু মিডেল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ব্যাটিংয়ে হঠাৎ ছন্দপতন হয়। শত চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত এই ধস ঠেকাতে পারেনি কেউই। তাই অনুমিতভাবেই ৯৬ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে শ্রীলঙ্কা।
যদিও দুই ওপেনার নিরোশান ডিকওয়েলা (৪১) ও উপুল থারাঙ্গা (৫৭) রান শুরুতে দারুণ খেলে বেশ আশাবাদী করে তুলেছিলেন লঙ্কানদের। কিন্তু তাঁরা আউট হওয়ার পরই কুশল মেন্ডিস (১১), চামারা কাপুগেদারা (০), আসেলা গুনারত্নে (৪), দীনেশ চান্দিমাল (১২) দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফিরে যান।
কুশল পেরেরা দারুণ দৃঢ়তা দেখালেও সঙ্গীর অভাবে পারেননি দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে। তিনি ৬৬ বলে ৪৪ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা স্পিনার ইমরান তাহির মূলত শ্রীলঙ্কার এগিয়ে যাওয়ার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান। তিনি ২৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং ধস নামান। এছাড়া ক্রিস মরিস ৩২ রানে দুটি ও মরকেল ও রাবাদা পান একটি করে উইকেট।
এর আগে হাশিম আমলার দারুণ একটি সেঞ্চুরিতে ২৯৯ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। র্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকা দলটি টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে খুবই সতর্কতার সঙ্গে শুরু করে। হাশিম আমলা ও ডি কক জুটি ভালোভাবেই খেলছিলেন। অবশ্য ডি কক ব্যক্তিগত ২৩ রানের মাথায় সাজঘরে ফিরে যান।
এর পরই আমলা ও ডু প্লেসিস দারুণ দৃঢ়তা দেখান। দুজনে ১৪৫ রানের জুটি গড়ে দলকে পাহাড়সম ইনিংস গড়ার পথ দেখিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। ৩০০ রানই করতে পারেনি তারা।
তবে আমলা ১১৫ বলে ১০৩ রানের দারুণ একটি ইনিংস খেলে দলের এই চ্যালেঞ্জিং ইনিংসের ভিত গড়ে দেন। তাঁকে যোগ্য সহায়তা দিতে গিয়ে ডু প্লেসিস ৭০ বলে ৭৫ রানের একটা ঝলমলে ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে এসে জেপি ডুমিনি ২০ বলে ৩৮ রানের একটা ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের ইনিংস ৩০০-র কাছাকাছি নিয়ে যান।
দীর্ঘ দুই বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরে মালিঙ্গা উইকেটশূন্য থেকেছেন এদিন। ১০ ওভার বল করে ৫৭ রান খরচ করেছেন তিনি। প্রদীপ ৫৪ রানে দুটি এবং লকমল ও প্রসন্ন একটি করে উইকেট পান।















