লন্ডনে কোরআন পোড়ানো নিয়ে হাইকোর্টে আপিল এবং সাজা নিয়ে বিতর্ক

68

সাইফ হাসান: লন্ডনের রাস্তায় পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ানোর ঘটনায় এক ব্যক্তির সাজা বাতিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেছে প্রসিকিউশন। অভিযুক্ত ব্যক্তি তুর্কি কনস্যুলেটের সামনে এই কাণ্ড ঘটান যা বড় ধরনের অপ*রাধ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রসিকিউশনের দাবি ধর্মীয় গ্রন্থ পোড়ানো শৃঙ্খলার পরিপন্থী কাজ। আদালত এই বিষয়ে শুনানি শেষে মামলার রায় অপেক্ষমাণ রেখেছেন।

৫১ বছর বয়সী হামিদ কোসগুন গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি লন্ডনের নাইটসব্রিজ এলাকায় তুর্কি কনস্যুলেটের সামনে এই কাণ্ড ঘটান। তিনি সেখানে অগ্নিদগ্ধ কোরআন হাতে নিয়ে ইসলাম বিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন। এই ঘটনার জন্য গত বছরের জুন মাসে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হলেও পরবর্তীতে অক্টোবর মাসে সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্ট সেই সাজা বাতিল করে দেয়।

হাইকোর্টে সরকারি আইনজীবীরা জানান জনবহুল এলাকায় ধর্মীয় গ্রন্থ পোড়ানো কোনোভাবেই বৈধ বাকস্বাধীনতা হতে পারে না। তারা এই আচরণকে সরাসরি শৃঙ্খলার পরিপন্থী এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস এই মামলাটি পুনরায় বিবেচনার জন্য নিম্ন আদালতে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে।

আদালতে আরও জানানো হয় যে কোসগুনের এই প্রতিবাদের সময় একজন ব্যক্তি তাকে ছুরি নিয়ে আক্রমণ করেছিলেন। সেই ব্যক্তি পরবর্তীতে পুলিশকে জানান তিনি নিজের ধর্ম রক্ষার্থেই এমন কাজ করেছিলেন। যদিও সেই হামলাকারীকে ইতোমধ্যেই স্থগিত কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে হামিদ কোসগুন তার জীবনের ওপর হুমকির কারণে সরকারি বিশেষ আশ্রয়ে রয়েছেন। লর্ড জাস্টিস ওয়ারবি এবং জাস্টিস ওবি এই মামলার শুনানি গ্রহণ করেছেন। হাইকোর্ট খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

#লন্ডননিউজ #কোরআনঅবমাননা #হাইকোর্ট #আপিল #aknews #onebanglanews