সাইফ হাসান: লন্ডনে চীনের নতুন এবং বিশাল এম্বাসি তৈরির সরকারি অনুমতি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। রয়্যাল মিন্ট এলাকায় এই মেগা এম্বাসি তৈরি হলে অনেকের বাড়িঘর হারানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইউরোপের সবচেয়ে বড় এই এম্বাসি তৈরির প্রতিবাদে স্থানীয়রা এবং মানবাধিকার কর্মীরা আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বাসিন্দারা মনে করছেন এটি তাদের স্বাভাবিক জীবনের জন্য এক বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
মার্ক নাইগেট নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা গত ২৭ বছর ধরে রয়্যাল মিন্ট সাইটের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সরকার অনুমতি দিলেও তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, কারণ এম্বাসির নিরাপত্তার অজুহাতে তাদের উচ্ছেদ করা হলে এই বয়সে তিনি কোথায় যাবেন তা জানেন না। এই প্রজেক্টটিকে তিনি ‘ডেভিড বনাম গোলিয়াথ’ বা অসম শক্তির লড়াই হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, এম্বাসির কর্মীদের আবাসন ও তাদের ফ্ল্যাটের মাঝখানে দূরত্ব খুবই কম থাকবে। মার্ক জানিয়েছেন, তারা সব সময় সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে থাকবেন যা তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা পুরোপুরি নষ্ট করে দেবে। এছাড়া এম্বাসি এলাকায় বিক্ষোভ ও নিরাপত্তার কড়াকড়ি তাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলবে বলে তারা মনে করছেন।
স্থানীয় কাউন্সিলর পিটার গোল্ডস এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ বা জুডিশিয়াল রিভিউর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অন্যদিকে, হংকংয়ের মানবাধিকার কর্মী চুং চিং এই বিশাল এম্বাসিকে ভিন্নমতাবলম্বীদের জন্য ভয়ের কারণ হিসেবে দেখছেন। তার মতে, যুক্তরাজ্যে চীনা এম্বাসির আকার ও কর্মী বাড়লে নির্বাসিতদের ওপর নজরদারি ও চাপ আরও বেড়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
#লন্ডন #চীন #এম্বাসি #aknews #onebanglanews














