সাইফ হাসান: লন্ডনে চরম ডানপন্থীদের সবচেয়ে বড় সমাবেশ ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার বলেছেন, ইংল্যান্ডের পতাকা কারও ভয় দেখানোর প্রতীক হতে পারে না। তিনি পুলিশের ওপর হামলা ও সংখ্যালঘুদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের তীব্র নিন্দা করেছেন। এদিকে সমাবেশে অংশ নিয়ে ইলন মাস্ক সরকারের পতন দাবি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষে ২৬ কর্মকর্তা আহত ও ২৪ জন গ্রেপ্তার হয়েছে।
শনিবার টমি রবিনসন বা স্টিফেন ইয়াক্সলি-লেননের নেতৃত্বে লন্ডনে আয়োজিত বিক্ষোভে ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেয়। সেখানে উপস্থিত হয়ে ইলন মাস্ক বলেন, সহিংসতা আসছে এবং সরকারের দ্রুত পরিবর্তন দরকার। তিনি পার্লামেন্ট ভেঙে নতুন ভোট আয়োজনের আহ্বান জানান।
স্টার্মার তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকার রয়েছে, তবে সহিংসতা মেনে নেওয়া যাবে না। তার ভাষায়, ব্রিটেন সহনশীলতা, বৈচিত্র্য ও শ্রদ্ধার দেশ, আর ইংল্যান্ডের পতাকা বিভাজন নয়, ঐক্যের প্রতীক।
এই সমাবেশ ঘিরে লেবার এমপিদের মধ্যেও বিভক্তি দেখা দেয়। ব্যবসামন্ত্রী পিটার কাইল একে ‘সতর্ক সংকেত’ হিসেবে বর্ণনা করলেও এমপি স্টেলা ক্রিসি স্পষ্টভাবে বলেন, এই মিছিল স্বাধীনতার নয়, বরং ভয়ের বার্তা ছড়াচ্ছে।
লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা এড ডেভি ইলন মাস্কের বক্তব্যকে বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে নিন্দা করেন। তিনি সব রাজনৈতিক দলকে একসাথে সহিংস বক্তব্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এদিকে মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, একজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে স্টার্মারকে হত্যার হুমকি দিয়েছে এবং তাকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।















