ওয়ানবাংলানিউজ : ইংল্যান্ডে বিবাহ অনুষ্ঠানের অন্যতম জনপ্রিয় স্থান সেন্ট্রাল লন্ডনে ওল্ড মারলিবন টাউন হল। এখানে সাতটি কক্ষে প্রতিদিন ১২টি বিয়ে পড়ানো হয়। খুব ব্যাস্ত দিনে এখানে সর্বোচ্চ ২৫টি বিয়ে হয়। টাউন হলের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মাত্র ১০০ পাউন্ড রেজিস্ট্রি খরচে পয়লা অক্টোবর মঙ্গলবার ১০০টি বিয়ে পড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি ৩০ মিনিটে চারটি বিয়ে পড়ানো হয়েছে মঙ্গলবার। সারাদিন তাই কয়েক মিনিট পর পর আনন্দ আর হইহুল্লোড়ে পরিপূর্ণ ছিল টাউন হলের বাইরের সিঁড়ি। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় বিয়ে পড়ানো। সর্বপ্রথম বিয়ে ছিল কেনি এবং শোনার।
কনোর ও জর্জিয়া দম্পতির জন্যও দিনটি ঐতিহাসিক। জর্জিয়ার বাবা-মা ওল্ড মারলিবন টাউন হলে বিয়ে করেছিলেন ১৯৮৭ সালে।
ওল্ড মারলিবন টাউন হলের ১০০ বছর পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে ১০০টি বিয়ের এই আসরের সাথে যুক্ত ছিল বিবিসি। দিনের বিভিন্ন সময়ে লাইভ প্রচার হয় এই অনুষ্ঠান।
কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধু এবং স্বজনের জন্য বিয়ের অনুষ্ঠান লাইভ প্রচার করেন।
ওল্ড মারলিবন টাউন হলের বিয়ের অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা মারলিবন রোডে উপচে পড়ার দৃশ্য এখানে দৈনন্দিন বিষয়। অনেক বিখ্যাত লোকেরাও এখানে বিয়ে করেছেন। যেমনঃ বিটল ব্যান্ডের স্যার রিঙ্গো স্টার এবং স্যার পল ম্যাক কার্টনি। পল ম্যাক কার্টনি এখানে দুবার বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী লিনডা এবং তৃতীয় স্ত্রী ন্যান্সি।
ওল্ড মারলিবন টাউন হলের রেজিস্ত্রারও এদিন তাঁর বিয়ে নবায়ন করে নেন। বিবাহিত দম্পতিদের বিবাহের বন্ধন অটুট করতে প্রতিশ্রুতি নবায়নের চল আছে ব্রিটিশ সমাজে। বিবিসিতে কাজ করেন টমাস ম্যাকিন্তশও কম খরচে বিয়েটা সেরে নিয়েছেন।
দিনের সর্বশেষ বিয়ে অনুষ্ঠান ছিল রাত সাড়ে ১০টায়। তবে এরই মধ্যে অনেক ঘটনার সাক্ষ্যে হয়েছে দিনটি। অনেকে রাস্তার জ্যামে আটকে পড়ার কারণে সময় মতো হাজীর হতে পারেননি। এক বর বিয়ের পরপরই আনন্দ উদযাপনের মধ্যেই বিয়ের আংটি হারিয়ে ফেলার ঘটনাও ঘটেছে। তবে সব মিলিয়ে লন্ডনে দিনভর যেমন বৃষ্টির বর্ষণ ছিল, ওল্ড মারলিবন টাউন হলেও ছিল আনন্দের অবারিত বর্ষণ।














