ওয়ানবাংলানিউজ: উন্নত বিশ্বে ব্যাংক নোটের ব্যবহার কমে যাচ্ছে। কেনাকাটা করতে গিয়ে নগদ অর্থ দিয়ে মূল্য পরিশোধের প্রবণতা কমে গেছে। ইংল্যান্ডের নরফোকে অবস্থিত নরফোক চীফ কোম্পানির মালিক নীনার জন্য বিষয়টি মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কন্টাক্টলেস কার্ড, আর স্মার্টফোনে ডিজিটাল পেমেন্টের সুবিধা থাকায় এখন নগর অর্থ সাথে না রাখলেও চলে, ব্যাংকেও জমা ও তোলার ঝামেলা কমে গেছে।
সরকারের মন্ত্রীরাও একমত নগদ অর্থের প্রচলন বন্ধ হয়ে যাওয়া উচিত হবেনা। কারণ বয়স্ক, শারীরিক প্রতিবন্ধী সহ গ্রামাঞ্চলের মানুষ নগদ অর্থের ওপর এখনও অনেকটা নির্ভরশীল। আর ব্যাংক নোট যতদিন থাকবে ততদিন এসব অর্থ জমা ও উত্তোলনের সুবিধা থাকতে হবে।
নগদ অর্থ নিয়ে ব্যাংক ও বিল্ডিং সোসাইটিগুলর জন্য কিছু বিধিবিধান আছে। শহরাঞ্চলে এক মাইলের মধ্যে নগদ অর্থ তোলা ও জমার সুবিধা রাখতে হবে। গ্রামাঞ্চলে প্রতি তিন মাইলের মধ্যে এই সুবিধা থাকতে হবে।
এদিকে চাহিদা কমে যাওয়ায় ব্রিটেনে প্রতি মাসে ৫০টি করে ব্যাংকের শাখা বন্ধ হচ্ছে। নাটওয়েস্ট ও বারক্লেইজ ব্যাংক জানিয়েছে, নগদ অর্থের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তাঁরা বেশ কিছু বিকল্প ব্যবস্থা খোলা রাখবে। কারণ এই ব্যবস্থা না রাখলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদেরকে জরিমানা করতে পারে।
এদিকে অনেকগুলো ব্যাংকের সেবা এক ছাদের নীচে এনে ব্যাংকিং হাব চালুর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে অনেক স্থানে। এর ফলে নিজস্ব অফিস এবং কর্মী নিয়োগের খরচ কমে আসছে। আবার একই ছাদের নীচে একাধিক ব্যাংকের সেবা পাওয়া যাচ্ছে। ব্রিটেনে এ পর্যন্ত এমন ৭টি হাব চালু হয়েছে। যারা চায় নগদ অর্থ হারিয়ে না যাক, তাঁরা ব্যাংকের শাখা এবং ব্যাংক নোট টিকিয়ে রাখার ক্যাম্পেইন অব্যাহত রেখেছেন।















