ওয়ানবাংলানিউজ: ১৯৯৬ সালে মেয়ে শেননকে জন্ম দেয়ার পর মিশেল বিংহাম এর কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। এর পর তাঁকে সপ্তাহে তিন দিন চার ঘণ্টা করে ডায়ালাইসিস করতে হতো।
রক্ত পরীক্ষায় কিডনি ম্যাচ না হলে আরেকজনের কিডনিও নেয়া যায়না। কিন্তু অবশেষে তিনি ম্যাচ না হলেও ভাইয়ের কিডনি নিলেন। মিশেলের রক্তে এনটিবডি থাকার কারণে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট সম্ভব ছিল না। তখন তাঁর পরিবার অর্থ সংগ্রহ করে তাঁকে আমেরিকা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু কোভেনট্রির ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নিলেন ইংল্যান্ডেই মিশেলের কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট হবে। ইংল্যান্ডে প্রথমবারের মতো কোভেনট্রিতেই হলো এমন ঘটনা। মিশেলের রক্ত থেকে এনটিবডি আলাদা করা হলো।
গত সোমবার মিশেলের চিকিৎসক দলের সদস্যরা হাসপাতালে আসেন মিশেলকে সারপ্রাইজ দিতে। আর মিশেল সারপ্রাইজ দিলেন তাঁর ভাইকে, যে ভাই ১৯ বছর বয়সে তাঁকে কিডনি দান করেছিলেন।
হাসপাতাল থেকে মিশেল যান তাঁর ভাইকে দেখতে। তিনি আথারস্টনে অবস্থিত আলদি সুপার মার্কেটের হেডকোয়ার্টারে নতুন প্রডাক্টের সেমপ্লিং করেন।
মাত্র ১৯ বছর বয়সে বোনকে কিডনি দিয়েও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন টবি। তিনি তাইকোয়ানডোর সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত প্রতিযোগিতা করেছেন। এখন তিনি ম্যারাথন দৌড়েও অংশগ্রহণ করেন।
টবি’র কিডনি প্রতিস্থাপন করেছিলেন সার্জন এফ টি লাম। একারণে তিনিই কেইক কাটেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, মিশেলের কিডনি ২০ বছর ধরে কাজ করছে। আর কতো দিন কাজ করবে?
এই চিকিৎসক দলের অবদানে হাজার হাজার মানুষ দীর্ঘ এবং সুখের জীবন পেয়েছে। তাই তাঁরা ধন্যবাদ পেতেই পারেন।















