ওয়ানবাংলানিউজ: ব্রিটেনের তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে অস্ট্রেলিয়া তাদের ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার নিয়ম শিথিল করেছে। পয়লা জুলাই থেকে নতুন বিধি কার্যকর হয়েছে। এর আগে ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার আবেদনের বয়স সীমা ছিল ১৮ থেকে ৩০ বছর। ৫ বছর বাড়িয়ে ভিসা আবেদনের বয়স ৩৫ করা হয়েছে।
পড়াশোনা স্থগিত রেখে কিংবা চাকুরী থেকে ছুটি নিয়ে ব্রিটেন থেকে চলে যাওয়া যাবে সুন্দর আবহাওয়া আর জীবনযাপনের দেশ অস্ট্রেলিয়ায়। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় এখন চাকুরীর অনেক সুযোগ আর মজুরিও ব্রিটেনের চেয়ে বেশী।
অস্ট্রেলিয়াতে ওয়ার্কিং হলিডে ভিসায় গেলে প্রতি বছর অন্ততঃ ৮৮ দিন কৃষিকাজ করতে হতো। এই নিয়মও প্রত্যাহার করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এখন থেকে পছন্দ মতো যে কোনো ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে পারবে ব্রিটেনের ওয়ার্কিং হলিডে ভিসাধারীরা।
অস্ট্রেলিয়াতে ওয়ার্কিং হলিডে ভিসায় নতুন পরিবর্তনের সুযোগ নেবেন কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তর দিলেন ব্রিস্টলের তরুণরা।
নতুন গবেষণায় জানা গেছে, ব্রিটেনের ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের ৪৫ শতাংশ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ‘গ্যাপ ইয়ার’ গ্রহণ না করার জন্য অনুশোচনা করেন৷ অস্ট্রেলিয়ার পর্যটন বিষয়ক জাতীয় সংস্থা ‘ট্যুরিজম অস্ট্রেলিয়া’ কিছু উপাত্ত প্রকাশ করে জানিয়েছে, যাদের মধ্যে জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে তাদের প্রতি দশ জনের প্রায় একজন মনে করে, নতুন কিছু শুরু করার বয়স তাদের চলে গেছে। এজন্য ভিসার বয়স বাড়ানো হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় ব্রিটিশদের ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার নিয়মে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে আরও পরিবর্তন আসবে। তখন সুনির্দিষ্ট কাজের শর্ত পূরণ না করেই তিন বছর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস এবং কাজ করার অনুমতি দেয়া হবে। টানা তিন বছর বসবাস করতে হবে- এমন শর্তও থাকবেনা।
গত বছর অস্ট্রেলিয়া এবং ব্রিটেনের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির আওতায় অস্ট্রেলিয়া তাদের ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার নিয়ম শিথিল করেছে। ব্রিটেনও অস্ট্রেলিয়ানদের জন্য ভিসার নিয়ম শিথিল করে বয়স ৩০ থেকে ৩৫ করেছে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এই বয়সের অস্ট্রেলিয়ানরা ব্রিটেনে এসে দুই বছরের পরিবর্তে তিন বছর বসবাস এবং কাজ করতে পারবেন।















