খেলাধুলা ডেস্ক: গোটা ম্যাচে চললো ফ্রান্সের দাপট। করিম বেনজেমার গোলে লিডও নিলো বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে শেষাংশে দাপুটে প্রত্যাবর্তনে ম্যাচ জিতে নেয় ডেনমার্ক। শুক্রবার স্তাদ দে ফ্রান্স স্টেডিয়ামে নেশনস লীগের গ্রুপপর্বের ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের ২-১ গোলে হারায় ডেনিশরা।
ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে দেয়া দুটি গোলই করেন ডেনিশ স্ট্রাইকার আন্দ্রেয়াস কর্নিলিউস।
বাবা মারা যাওয়ায় ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম কাল দলের সঙ্গে ছিলেন না। দেশের অনুপস্থিতিতে ডাগআউট সামলেছেন গাই স্টেফান। ফ্রান্সের এই সহকারী কোচের মতে, মৌসুমের শেষে খেলোয়াড়রা ক্লান্ত। স্টেফান বলেন, ‘আমরা জানতাম, ডেনমার্ক ভালো দল। সুসংগঠিত একটি দল। তবে আমরা মৌসুমের শেষে চলে এসেছি। খেলোয়াড়রা অনেক ম্যাচ খেলেছে এখন পর্যন্ত।
তাই তাদের দোষ দিতে চাই না।’
স্টেফান বলেন, ‘দুটি দুর্দান্ত দলের খেলা হয়েছে। কিছু ভালো সুযোগও আমরা পেয়েছিলাম।’
ফরাসি গোলরক্ষক হুগো লরিস বলেন, ‘পরাজয় কখনোই সুখকর হতে পারে না। বিশ্বকাপের আগে অনেক সময় রয়েছে আমাদের হাতে। যদিও পরাজয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরুটা ভালো নয়।’
লরিসের মতে, আক্রমণাত্মক খেলায় কাউন্টার অ্যাটাকের সুযোগ পেয়েছে ডেনমার্ক। তিনি বলেন, ‘দারুণ একটি দলের বিপক্ষে লড়েছি আমরা। ১-০তে এগিয়ে ছিলাম আমরা। তবে আমাদের আক্রমণের প্রবণতার কারণে তারাও সুযোগ পেয়েছে।’
ত্রয়োদশ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় ফ্রান্স। তবে ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়েও প্রতিপক্ষের গায়ে মেরে হতাশ করেন করিম বেনজেমা। বিরতিতে যাওয়ার আগে ধাক্কা খায় ফ্রান্স। পায়ের চোটে মাঠ ছাড়েন কিলিয়ান এমবাপ্পে। যদিও বেনজেমার উপস্থিতিতে এমবাপ্পের অভাববোধ না হওয়ারই কথা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই নজরকাড়া গোলে দর্শকদের আনন্দে ভাসান রিয়াল স্ট্রাইকার বেনজেমা। দেশের হয়ে এই নিয়ে ২৪ দলের বিপক্ষে গোল করলেন বেনজেমা। তার চেয়ে বেশি প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েয়েছেন কেবল থিয়েরি অঁরি (৩৭) ও অলিভিয়ে জিরুদ (৩০)। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার গোল হলো ৩৭টি, ৯৫ ম্যাচে।
৬৮তম মিনিটে সমতায় ফেরে ডেনমার্ক। পিয়ের-এমিল হয়বিয়ার্গের ক্রস ডি-বক্সে দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান পায়ের ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন কর্নিলিউস।
৮৬তম মিনিটে প্রতি-আক্রমণে গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন। তবে তার শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন উগো লরিস। এর দুই মিনিট পরই এগিয়ে যায় ডেনমার্ক। মিকেল ডামসগার্ডের থ্রু বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোল করেন কর্নিলিউস।















