ক্রীড়া ডেস্ক: টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্সের কারণে সমালোচনার মুখে পড়ে অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েন অধিনায়ক মুশফিকের রহীম। ফরম্যাটে পরিবর্তন আসার পরই যেন স্বরূপে ফিরলেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করেন মুশফিক। তার সেঞ্চুরিতে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় টাইগাররা।
ক্যাগিসো রাদাবার করা ৪৬তম ওভারের তৃতীয় বলে দুই রান নিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুশফিক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন তিনি।
২০১৫ সালের নভেম্বরে ওয়ানডেতে সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেন মুশফিক। সেবার মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। প্রায় দুই বছর তথা ২৩ মাস পর ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির স্বাদ ফেলেন মুশি। ওয়ানডেতে এটি মুশফিকের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি।
কিম্বার্লির ডায়মন্ড ওভালে দলীয় ৬৭ রানরে মাথায় দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ইমরুল কায়েস আউট হয়ে ফিরে গেলে ক্রিজে আসেন মুশফিক। তৃতীয় উইকেটে সাকিব আল হাসানকে নিয়ে ৫৯ এবং চতুর্থ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে ৬৯ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।
মাহমুদউল্লাহ আউট হওয়ার পর সাব্বিরকে নিয়ে আরেকটি দারুণ জুটি গড়েন মুশফিক। তুলে নেন দারুণ সেঞ্চুরি। তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছার মধ্য দিয়ে টেস্টের হতাশা কাটিয়ে ওঠার রসদ পেলেন মুশফিক।















