ওয়ানবাংলানিউজ: কোভিডের সংক্রমণের কারণে ক্রমবর্ধমান হারে স্বাস্থ্য কর্মীদের কাজে অনুপস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় ব্রিটেনের হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মী সংকট সৃষ্টি হয়েছে। স্কটল্যান্ড, নর্থ-ওয়েস্ট ইংল্যান্ড এবং লন্ডন সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এই কর্মী সংকট দেখা দিয়েছে। সাউথ-ওয়েস্ট লন্ডনে অবস্থিত কিংস্টন হাসপাতালের সব শিফটেই কর্মী শুন্যতা দেখা দিয়েছে।
কর্মী সংকট মোকাবেলায় এগিয়ে এসেছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। আগামী তিন সপ্তাহ হাসপাতাল এবং এ্যাম্বুলেন্স কর্মীদের কাজে সহায়তা দেবে এসব সেনা সদস্য।
লন্ডনের হাসপাতালগুলোতে এই মুহূর্তে প্রায় চার হাজার কোভিড রোগী ভর্তি আছেন। শুক্রবার লন্ডনের কিংস কলেজ হসপিটাল পরিদর্শনে আসেন হেলথ সেক্রেটারি সাজিদ জাভিদ। এসময় তিনি টিকাদান কর্মসূচিকে বেগবান করতে দেশের জনগণ সহ সকলের সহযোগিতা চান।
হেলথ সেক্রেটারি হাসপাতালের কর্মীদের তাদের কাজের জন্য ধন্যবাদ জানান। আর হাসপাতাল কর্মীরা হেলথ সেক্রেটারিকে বলেন, সরকার যেন জনগণকে টিকা গ্রহণে এগিয়ে আসতে আরও বেশী উদ্যোগী হয়।
দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায় লন্ডনে এখনও টিকা গ্রহণের হার কম। এর উপর সরকার সকল ফ্রন্টলাইন হেলথ এবং সোশ্যাল কেয়ার কর্মীদের জন্য টিকাগ্রহণ বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে। অন্যথায়, তাদের চাকুরী ছেড়ে দিতে হবে। কিংস কলেজ হসপিটালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট পরিদর্শনকালে হেলথ সেক্রেটারি উপস্থিত ডাক্তার-নার্সদের কাছে জানতে চান, বাধ্যতামূলক টিকাগ্রহণের বিষয়ে তাদের ভাবনা কি? উত্তরে যা জানতে পারলেন, হেলথ সেক্রেটারি হয়তো তার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। একজন কনসালটেন্ট ডাক্তার বললেন, তিনি টিকা নিতে চান না।
কিংস কলেজ হসপিটাল কর্তৃপক্ষ বলছে, তাঁরা তাদের কর্মীদের টিকা গ্রহণে সহযোগিতা এবং উৎসাহ দিচ্ছে এবং হাসপাতালের ৮৭ শতাংশ কর্মী টিকা নিয়েছেন। টিকা গ্রহণের বিষয়ে হেলথ সেক্রেটারি সাজিদ জাভিদের বার্তা একেবারেই স্পষ্ট।















