দিরাই সংবাদদাতা“ দিরাইয়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন অনুষ্ঠানে পুলিশি বাঁধার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সকাল ১০টায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস শহিদ চৌধুরীর নেতৃত্বে স্থানীয় রোশনী কমিউনিটি সেন্টারে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।খবর পেয়ে দিরাই থানা পুলিশের ওসি(তদন্ত)দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বাধা দিলে আয়োজকরা অনুষ্ঠান স্থগিত করে খালেদা জিয়ার বিরোদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল এ সমাবেশ করেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও জেলা যুবদলের আহবায়ক আনসার উদ্দিন, সহ-সভাপতি সেলিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলামের নাম লিখা থাকলেও পুলিশি বাঁধার কারনে জেলা বিএনপির এই তিন নেতাই অনুউপস্তিত ছিলেন। উপজেলা যুবদল আহবায়ক হুমায়ূন কবীর তালুকদার জানান গত চারদিন পুর্বে তারিখ করে আমরা কমিনিটি সেন্টার বুকিং দিয়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ ও নবায়নের পস্তুতির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল.কিন্তু গতকাল রাত থেকে পুলিশ আমাদের নেতাকর্মীদের কে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করছে, এমনকি গতকাল রাতে আমরা যখন আজকের এই অনুষ্টান নিয়ে শহীদ চৌধুরীর বাসায় আলাপ করছিলাম তখন পুলিশ এসে নেতাকর্মী ও বাসার সবার সাথে বাজে ব্যাবহার করে এবং আজকের সবাবেশ না করার জন্য হুমকি দিয়ে যায়।
আমরা সকালে কমিনিটি সেন্টারে গিয়ে দেখতে পাই প্রায় শ খানেক পুলিশ সেন্টার তালা দিয়ে ঘিরে রেখেছে। আমরা সমাবেশ করতে না পেরে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস শহিদ চৌধুরীর নেতৃত্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করি এবং পরবতীতে আব্দুস শহীদ চৌধুরীর বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশি বাধার জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এদিকে জেলা বা উপজেলা বিএনপির অনুমতি ছাড়া কেন্দ্রীয় বিএনপির ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচির নামে প্রোগ্রাম দিয়ে কেউ কেউ বিএনপির নামে অপরাজনীতির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আব্দুর রশীদ চৌধুরী। জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও জেলা যুবদল আহবায়ক আনসার উদ্দিন বলেন দিরাই উপজেলা বিএনপির ও যুবদলের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন অনুষ্টানে আজকে আমার যাওয়ার কথা ছিল,কিন্তু কেন্দ্রীয় কর্মসুচী থাকায় যেতে পারিনি,শুনেছি পুলিশি বাঁধার কারনে অনুষ্টান হয়নি.আমি এই পুলিশি বাধার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাঁচ্ছি। এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সভাপতি কিংবা সাধারন সম্পাদকের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অনুষ্টানে পুলিশি বাঁধার ব্যাপারে দিরাই থানার ওসি তদন্ত দেলোয়ার হোসেন জানান,অনুমোদন ছাড়া প্রোগ্রাম করা যাবে না। উর্ধ¦তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের মিটিং পন্ড করা হয়েছে।















