ওয়ানবাংলানিউজ: বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনে নেতা কর্মীদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে নিরাপদ বাংলাদেশ চাই (নিবাচা)ইউকে শাখার উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রতিবাদ সভার বক্তারা বলেন আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিরুধীদলীয় নেত্রী কর্মীদের বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলনের সকল আলেম উলামা দের নির্মুল করার পরিকল্পনা করছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কৌশল হিসাবে বিশ্ববরণ্য আলেম আল্লামা দিলোয়ার হুসাইন সাঈদীকে কয়েক বছর ধরে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে বন্ধী রেখেছে।
৭ই জুন সোমবার, পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন নিরাপদ বাংলাদেশ চাই(নিবাচা) ইউকে উদ্দোগে প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মানবাধিকার কর্মী মুসলিম খান। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সেক্রেটারী মাজেদুর ইসলাম খান।
সভায় বক্তব্য রাখেন ঐক্য ফ্রন্ট ইউকে’র সেক্রেটারী সাইফুর রহমান পারভেজ, অনলাইন একটিভিস্ট ফোরাম ইউকে’র সভাপতি সাবেক ছাত্র নেতা জয়নাল আবেদীন, অনলাইন একটিভিস্ট ফোরাম ইউকে’র সেক্রেটারী দিলোয়ার হোসাইন, ইউনির্ভারসেল ভয়েস ফর হিউম্যান রাইটস’র সেক্রটারী শাহান বিন নিজাম, মানবাধিকার সংগঠন জাস্টিস ফর ভিকটিম’র সাবেক ছাত্র নেতা লায়েক আহমদ, জাস্টিস ফর ভিকটিম’র সহ সভাপতি সৈয়দ মোজাক্কির আহমদ, নিবাচা’র উপদেষ্টা মোঃআবুল কালাম,নিবাচা’র সহ সভাপতি আলী হোসেন, নিবাচা’র প্রোগ্রাম সম্বনয় কারী মানবাধিকার কর্মী মোঃতাহমিদ হোসাইন খান,জাস্টিস ফর ভিকটিম’র রিসার্চ সেক্রেটারী জালাল আহমদ জিলানী, ইআরআই’র অফিস সেক্রটারী মোঃআবু জাফর আব্দুল্যাহ, নিবাচা’র সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বুরহান উদ্দিন চৌধুরী,
মানবাধিকার কর্মী আরিফ আহমদ,মোঃমাহবুবুর রহমান, মোঃইমরান আহমদ, শেখ খুরশীদ আলম, সফীকুল আলম, মাসুকে এলাহি, আব্দুল হক বাতিন ও বিএনপি এবং জামায়াতের নেতারা। এছাড়া আর উপস্তিত ছিলেন বিএনপি ও জামায়তনেতারা মির্জা আবুল হোসেন, যুব মহিলা দলের নেত্রী ফারিহা আক্তার সুমি, রুবি আক্তার, আব্দুল কাদের জিলানী, জিহাদুল ইসলাম, আব্দুল বাছিত, নজরুল ইসলাম প্রমূখ।
সভায় কোরআন তেলাওয়াত করবেন মোহাম্মদ আলী।
সভাপতির বক্তব্যে মুসলিম খান বলেন আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাছিনা যদি বাংলাদেশর আলেম সমাজ, রাজনৈতিক, সাংবাদিক সহ সকল রিরুধীদলীয় নেতা কর্মীদের মুক্তি না দেয় তাহলে বৃটেন থেকে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে। আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, মাওলানা মামুনূল হক, এডভোকেট শাহিনুল পাশা চৌধুরী, মুফতী আমির হামজা, সহ সকলের মুক্তি দাবী করেন।















