আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লকডাউনের মধ্যেই ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রক কোনও সুরাহার কথা না জানিয়ে বরং জানিয়ে দিয়েছে, করেনা ভাইরাস নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। ভারতে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ যেমন দ্রুত উর্ধমুখী হচ্ছে তেমনি বাড়ছে মৃত্যুও। গত ২৪ ঘন্টায় ৩৩,৩২০ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ষাট হাজার ছুঁইছুঁই করছে। এই একই সময়ে নতুন ৬৮ জনের মৃত্যু হওয়ায় এ পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৮১। তবে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল শুক্রবার বলেছেন, কী করে করোনা ভাইরাসকে সঙ্গে নিয়ে বাঁচতে হবে, তা আমাদের শিখতে হবে। এটাই বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি ইঙ্গিতে জানিয়ে দিয়েছেন, লকডাউনের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, বারে বারে হাত ধোয়া ও মাস্ক বাধ্যতামূলকভাবে পড়ার বিধানগুলিই আমাদের আগামী দিনের অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। তিন দফায় ৪৫ দিন ধরে লাগাতার লকডাউনের পর ভারত সরকার অনেক জায়গাতেই লকডাউনের আইন শিথিল করে জনজীবন ও কলকারখানা স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে।
তবে এরই মধ্যে আভিবাসী শ্রমিকদের রাজ্যে রাজ্যে ফেরা এবং বিদেশ থেকে উদ্ধার করে আনা ভারতীয়দের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাই লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়বে, নাকি তুলে নেয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্মসচিবের বক্তব্যের ইঙ্গিত অনুযায়ী, লকডাউনের মেয়াদ না বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি। সেইসঙ্গে তিনি অবশ্য করোনা নিয়ে অনেক সুখবর জানানোর চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেছেন, সংক্রমণের হার দ্বিগুণ হতে আগের থেকে সময় লাগছে বেশি। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের মাত্র ৩.২ শতাংশ রোগীকে অক্সিজেন সার্পোটে রাখতে হয়েছে। এছাড়া, ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে রয়েছেন আক্রান্তের ৪.৭ শতাংশ। ভেন্টিলেটরে থাকা করোনা রোগীর শতকরা হার আরও কম। মাত্র ১.১ শতাংশ।















