ওয়ানবাংলানিউজ: বিএনপি সংঘাত ও সন্ত্রাসে জড়িত অভিযোগ করে খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের লন্ডনে অবস্থানের বিষয়ে ৬৫০ জন ব্রিটিশ এমপিকে সতর্ক করে চিঠি দিয়েছে আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য শাখা।
বুধবার পার্লামেন্টের ডাক ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তার কাছে এসব চিঠি পৌঁছে দেন আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ। সঙ্গে ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আহাদ চৌধুরী ও ছাত্রলীগের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি সারওয়ার কবির।
চিঠিতে সন্ত্রাসের পথ পরিহার করে খালেদাকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসতে এবং তারেক রহমানকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সহায়তা চাওয়া হয়েছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ।
বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিসংবলিত যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের প্যাডে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘খালেদা জিয়া বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। তার দল যাতে আর সন্ত্রাসবাদ ও সংঘাতের আশ্রয় না নেয়—তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাজ্য সরকার এ সুযোগে খালেদাকে চাপ দিতে পারে। এর মাধ্যমে যেকোনো সংঘাত ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিপক্ষে যুক্তরাজ্য সরকারের অবস্থান জোরালো বার্তা দিতে পারে।’
খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্পর্কে চিঠিতে বলা হয়, ‘রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে তারেক যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। বিএনপির অব্যাহত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও দুর্নীতির দায়ে বাংলাদেশের আদালতে তারেকের দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে চলমান বিচারের কথা বিবেচনায় নিয়ে তাকে আশ্রয় দেয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।’
তারেককে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও যুক্তরাজ্য সরকারের তরফে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ ছিল না। যুক্তরাজ্য সরকার সংঘাত ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান দেখাতে চাইলে জরুরি ভিত্তিতে তারেককে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো দরকার বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
কানাডার আদালতে জুয়েল হোসেন গাজি নামের এক বিএনপি কর্মীর আশ্রয়ের আবেদন নাকচ হওয়ার ঘটনা তুলে ধরা হয় চিঠিতে। বলা হয়, বিএনপি সশস্ত্র সংঘাত ও সন্ত্রাসবাদে যুক্ত থাকার কারণে কানাডার আদালত ওই কর্মীর আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে অনুন্নত দেশগুলোর জন্য উন্নয়নের মডেলে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে সংঘাতমুক্ত ও প্রগতিশীল গণতন্ত্রের প্রতি ব্রিটিশ এমপিদের সমর্থন চেয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।















