স্থানীয় বিএমই স্মল কমিউনিটি সংগঠনগুলোর ফান্ডিং কাটের প্রতিবাদে সভা ও ক্যাম্পেইন শুরু

446

ওয়ানবাংলানিউজ: স্থানীয় বিএমই স্মল কমিউনিটি সংগঠনগুলোর ফান্ডিং কাটের প্রতিবাদে এক সভা গত ৯ই আগস্ট স্থানীয় টাওয়ার হ্যামলেটস প্যারেন্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সেন্টারের ডায়রেক্টর ডক্টর আব্দুল হান্নান। কমিউনিটি নেতা শাহানুর আহমদ খান ও সাদিকুল আমিন এর যৌথ পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন স্প্রেলশ প্লে সংগঠনের সিস্টার ক্রিস্টিন, ব্ল্যাক উইম্যান্স হেলথ এর জয়েস্লিন হেইফড, বাউন্ডারী কমিউনিটি স্কুলের সাদিকুল আমিন, দ্যা রোটেড ফোরামের আবু হাসনাত, বাংলাদেশ ইয়ুথ মুভমেন্টের সাবেক কাউন্সিলার ফানু মিয়া, ওয়াপিং বাংলাদেশী এসোসিয়েশনের আতিকুর রহমান, ভ্যালেন্স সি এস এ এর জুনেল উদ্দিন, লাইম হাউজ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের মো: শানুর আহমদ খান, সোমালী সিনিয়র সিটিজেন ক্লাবের জামাা উমর, উইভার্স কমিউনিটি ফোরামের ইউসুফ খান, কলোডন বাংলাদেশী প্যারেন্টস এসোসিয়েশনের মো: ময়ুর মিয়া প্রমুখ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, কাউন্সিল কমিউনিটি সংগঠন গুলোকে ফান্ড বরাদ্ধের জন্য ‘লকাল কমিউনিটি ফান্ডিং’ নামে যে বরাদ্ধ ঘোষণা করেছে তাতে বাদ পড়েছে স্থানীয় বহু কমিউনিটি সংগঠন। তারা বলেন, নাম লকাল কমিউনিটি ফান্ডিং হলেও তারা এই বরাদ্ধ থেকে বাদ পড়েছেন। অথচ এখান থেকে ফান্ড পেয়েছে যারা টাওয়ার হ্যামলেটসের নয় কিংবা বড় বড় সংগঠনগুলি। এমনও রয়েছে কনসর্টিয়াম বিড করে বছরে প্রায় মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে।

অথচ যারা টাওয়ার হ্যামলেটসের ছোট ছোট সংগঠন ৫ থেকে ১৫ হাজার পাউন্ডের জন্য আবেদন করেছিলো সে সমস্থ সংগঠনগুলিকে এই বরাদ্ধ থেকে একেবারেই বাদ দেয়া হয়েছে। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কাউন্সিলের লকাল কমিউনিটি ফান্ডিং সমতার ভিত্তিতে দেয়া হয়নি। তারা মনে করেন সু-পরিকল্পিতভাবে এসকল সংগঠনকে বাদ দেয়া হয়েছে। তাদের উপর বৈসম্যমূলক আচরন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা।

সভায় জানানো হয় বারার স্মল, এথনিক মাইনোরিটি, লকাল বেইস বিএএমই অর্গানাইজেশন ও কমিউনিটি ল্যাংগুয়েজ সার্ভিসেস প্রজেক্টকে একেবারেই ফান্ডিং দেয়া হয়নি। এটা সর্বজন স্বীকৃত ও প্রমানিত যে, এসমস্থ কমিউনিটি সংগঠন ও তাদের সার্ভিসগুলো টাওয়ার হ্যামলেটসের মাইল ফলক।

উপস্থিত সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই এল সি এফ ফান্ডিং বরাদ্ধে বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করেন এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। কারন কমিউনিটি সংগঠনগুলিকে ফান্ডিং না দিলে কমিউনিটি সার্ভিস গুলো বন্ধ হয়ে যাবে। এমনকি অনেক সংগঠন বন্ধ হয়ে যাবে। তাদের দাবী এল সি এফ ফান্ডিংকে পূর্ণবিবেচনা করে কমিউনিটি সংগঠনগুলিকে যেন ফান্ড বরাদ্ধ দেয়া হয়। অন্যতায় তারা জুড়ালো ক্যাম্পেইন করে যাবেন। প্রয়োজনে তারা আইনী ব্যবস্থা নিতে দ্বিধাবোধ করবেন না।

আগামী ২৩ই আগস্ট উক্ত স্থানে আবারো সভা আহবান করা হয়েছে। এতে সংশ্লিস্ট সকল কমিউনিটি সংগঠনগুলিকে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
এই ক্যাম্পেইনের জন্য ১২ সদস্য বিশিষ্ট স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং যারা আসবেন তাদেরকে এই কমিটির অন্তুভুক্ত করা হবে। কমিটির সদস্যগন হচ্ছেন আহবায়ক সিস্টার ক্রিস্টিন, যুগ্ম আহবায়ক ডক্টর মো: আব্দুল হান্নান, জয়েস্লিন হেইফোড। সদস্য সাদিকুল আমিন, আবু হাসনাত, ফানু মিয়া, আতিকুর রহমান, জুনেল উদ্দিন, মো: শাহানুর আহমদ খান, জামা উমর, ইউসুফ খান, মো: ময়ুর মিয়া।