কাজেই নবদম্পতির ইচ্ছা, বিয়ের ছবিগুলো তারা নিলামে তুলবেন। তা থেকে যা আয় হবে, সেটা তারা ‘দ্য লিভ লাভ লাফ ফাউন্ডেশন’-এ দান করবেন। কেননা, একটা সময় অভিনেত্রী দীপিকা নিজেও নাকি মানসিক অবসাদগ্রস্ত ছিলেন। তিনি মনে করেন, এটা লজ্জার কোনো বিষয় নয়। বরং আর পাঁচটা রোগের মত মানসিক অবসাদও একটা রোগ।

ভারতীয় বিভিন্ন মিডিয়ার খবর, দীপিকা ও রণবীরের বিয়ের আমন্ত্রিত অতিথিদের অনুষ্ঠানস্থলে ঢোকার পথে মোবাইল ফোনের ক্যামেরার ওপর স্টিকার লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল। তাই বিয়ের অনুষ্ঠানের কোনো ছবি বা ভিডিও কেউ তুলতে পারেননি। তাদের বিয়ের বিশেষ মুহূর্তগুলো ফ্রেমে বন্দি ও ভিডিও করার জন্য ছিলেন পেশাদার ফটোগ্রাফার।
দীপিকা-রণবীরের বিয়ে হয়েছে দুইবার। বুধবার ইতালির কোমো লেকের ধারে ‘ভিলা দেল বালবিয়ানেলো’ নামে রাজকীয় এক প্রাসাদে কোঙ্কনি প্রথায় প্রথম বিয়ে করেন তারা। বৃহস্পতিবার সিন্ধ্রি রীতি মেনে আবার বিয়ে হয় তাদের। দুই বিয়েতে শুধু পরিবারের লোকজন, আত্মীয় স্বজন ও ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব উপস্থিত ছিলেন।
কাজেই দুদিন আগেও যারা শুধু প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেব সুপরিচিত ছিলেন, এখন তারা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বামী-স্ত্রী। এদিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা যেহেতু শেষ, নিয়মমাফিক তাই সামনের সপ্তাহেই দবদম্পতি দেশে ফিরবেন। কেননা ২১ নভেম্বর বেঙ্গালুরুতে এবং ২৮ নভেম্বর মুম্বাইয়ে তাদের রিসেপশনের আয়োজন রয়েছে। সেখানে দুই বলিউড তারকার সহকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন।












