ইংল্যান্ডে স্কুল ছাত্রের সাথে শিক্ষিকার যৌন সম্পর্ক : সারা জীবন স্কুলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

4798

জাকির হোসেন কয়েছ: ব্রার্ডফোর্ডে সেকেন্ডারী স্কুলের বিবাহিত শিক্ষিকাকে স্কুলের অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছাত্রদের সাথে যৌন সম্পর্ক রাখার অভিযোগে তাকে সারা জীবনের জন্য স্কুলে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
অভিযুক্ত আমেনা নাজমা খান ব্রার্ডফোর্ডের টাং হাইস্কুলের শিক্ষিকা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে তিনি স্কুলের ছাত্রদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন এবং মোবাইলে ম্যাসেইজ ও ছবি পাঠানো। তাকে স্কুলের ডিসিপ্লিনারি হেয়ারিংয়ে অভিযুক্ত করা হয়।

বিবাহিতা আমেনা নাজমা খানের বয়স ৩৫। তাকে অপেশাদারী আচরনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে তদন্ত প্যানেল। তিনি ঐ স্কুলে ২০০৯ সাল থেকে কর্মরত ছিলেন।

ন্যাশনাল কলেজ ফর টিচিং অ্যান্ড লিডারশিপ প্রফেশনাল প্যানেল থেকে জানা যায় ২০১৫ সালে নভেম্বরে শিক্ষার্থীর সাথে সম্পর্কের বিষয়টি শারজিত কুমারকে জানানো হয়। কিন্তু তিনি স্কুলের সিনিয়র স্টাফদের সাথে কথা বলতে এক মাসের বেশি সময় নেন। তিনি প্যানেলকে লিখিত জানান আমি স্বীকার করি যে শিক্ষার্থীকে জরুরী কল করা হয়নি। এটা ছিল আমার ভুল।
প্যানেল জানতে পারে শিক্ষার্থীর সাথে শিক্ষিকার সম্পর্ক ২০১৫ সালের জানুয়ারী এবং অক্টোবরের মধ্যে ঘটে।

৩৬ বছর বয়সী আমেনা নাজমা খান যিনি ব্রাডফোর্ডের টাং হাইস্কুলে ছাত্রদের তার ফেসবুক এবং মোবাইল এপপ ব্যবহার করে স্কুলের ছাত্রদের নগ্ন ছবি পেরন করতেন।
তিনি ছাত্রদের তার ঘরে এবং হোটেলে ছাত্রদের আমন্ত্রন জানিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তুলে তদন্তকারী প্যানেল। তিনি স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাদের আমন্ত্রন জানান।
তদন্ত শুরু হলে তিনি ছাত্রকে সকল ম্যাসেইজ ডিলিট করতে বলেন, সম্পর্কের কথা কারো সাথে বলতে বারণ করেন।
প্যানেল জানায় তিনি ছাত্রদের উপর এই আচরনের জন্য কোন অনুশোচনা দেখাননি বরং তিনি তার পরিবার উপর প্রভাবের জন্য চিন্তিত দেখিয়েছেন।
তিনি প্যানেল হেয়রিংয়ে অংশনেননি। তবে মিস নাজমা খান এর বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল করবেন বলেবিবিসি জানিয়েছে। তিনি ও শারজিত কুমার ২০১৬ সালে এই স্কুল ত্যাগ করেন।
তার বিরুদ্ধে তদন্তে অংশ নিয়েছে স্কুলের ছাত্ররা।