আওয়ামী লীগের সভায় যুবলীগের হামলা

491

ঢাকা সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় যুবলীগের হামলায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

সোমবার বিকালে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আলাউদ্দিন চত্বরে স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচিতে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য মুনছুর আহমেদ জানান।

এ ঘটনার পর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সাতক্ষীরা সদর থানা ঘেরাও করে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।

আহতদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনছুর আহমেদ, জেলা যুবলীগের সদস্য মীর মহিতুল আলম, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন, জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি মীর শাহিন, যুবলীগ নেতা বাবু ও ছাত্রলীগ নেতা তৌকিরকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুল কাদের জানান, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আলাউদ্দিন চত্বরে পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা চলছিল। এ সময় জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে একটি মিছিল সেখানে উপস্থিত হয়। সভাস্থলে পৌঁছে মান্নান মঞ্চে উঠে মাইক কেড়ে নিয়ে বলেন, আজ থেকে খেলা শুরু। আমার বিরুদ্ধে যারা মিছিল মিটিং করছে, তাদেরকে এখন খেলা দেখাব।

এসময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও তাঁতী লীগের সভাপতি প্রতিবাদ করলে মান্নানের নেতৃত্বে মঞ্চে থাকা অতিথিদের উপর হামলা চালানো হয়। হামলায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা বলেন, তাছাড়া কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য মিছিল নিয়ে আসার সময় বসুন্ধরা মার্কেটের সামনে যুবলীগের মান্নান, তুহিন ও মনোয়ার হোসেন অনুর নেতৃত্বে তাদের উপর হামলা চালানো হয়।

হামলার কথা অস্বীকার করে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে বিরাট মিছিল নিয়ে অংশ নিই। সেখানে শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন বক্তৃতার জন্য আমার নাম ঘোষণা করলে বক্তৃতা দিতে উঠি। এরপরই সদর আসনের সংসদ সদস্য মীর মহিতুল আলম, জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি মীর শাহিন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোস্তাকসহ কয়েকজন পেছন থেকে মারধর শুরু করে।

তিনি বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান।

এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি মারুফ আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মসূচির ব্যাপারে পুলিশকে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। ঘটনা শুনে সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।