ওয়ানবাংলানিউজ: বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বার বার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান লিলু মিয়ার নি:শর্ত দাবী করেছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও যুক্তরাজ্য বিএনপির অধিনস্থ বিভিন্ন জোনাল কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগন।
এক যুক্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ৪ ফেব্রুয়ারী বিশ্বনাথে উপজেলা বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লিলু মিয়া’সহ চার জনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃত অন্যান্যরা হলেন অলংকারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলতাব আলী মেম্বার, খাজাঞ্চী ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতা আব্দুস শহিদ (সাবেক মেম্বার) ও অলংকারী ইউনিয়ন যুবদল নেতা আবু সুফিয়ান। তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সিলেট আগমনকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল পরবর্তীতে লিলু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। তারা বলেন, সিলেটের বিশ্বনাথের অত্যন্ত সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব, সিলেটের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, যিনি দীর্ঘদিন যাবত পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সংক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন তাকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লিলু মিয়া, এম ইলিয়াছ আলীর অত্যন্ত আস্থাভাজন ছিলেন, তিনি বর্তমানে এম ইলিয়াস পত্মী তাহসিনা রুশদীর লুনা ও এম ইলিয়াস আলীর ছোট ভাই আছকির আলীর আস্থাভাজন হিসেবে বিশ্বনাথ উপজেলার বিএনপির সাধারণ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রবাসী নেতৃবৃন্দ সরকারকে প্রশ্ন রেখে বলেন, গণতন্ত্রকামী শান্তি প্রিয় লিলু মিয়াকে কেন বারবার অন্যভায় গ্রেফতার করা হচ্ছে। দলীয় নেত্রীরকে স্বাগত জানিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল ও লিফলেট বিতরন করা কি অপরাধ? এটা কোন ধরনের গণতন্ত্র?। তারা বলেন, আমরা প্রবাসী হিসেবে মনেকরি এধরনের যে কাউকে গ্রেফতার কোন গণতান্ত্রিক সভ্য সমাজে হতে পারেনা। বিশ্বের গণতন্ত্রকার্মী মানুষ এটাকে নিন্দার চোখে দেখে। তারা বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাড়াঁক। কিন্তু বর্তমান সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরন দেশবাসীর মত প্রবাসীদেরও হতাশ করেছে।
নেতৃবৃন্দ তাদের যৌথ বিবৃতিতে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবীর পাশাপাশি, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, এম ইলিয়াস আলীর অভিলম্বে সন্ধ্যান দাবী, বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর উপজেলার নেতাকর্মীসহ সকল রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি ও তাদের মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান।
বিবৃতি প্রদান করেছেন আন্তর্জতাজিক বিষয়ক সম্পাদক মুহিদুর রহমান, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক, সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুছ, উপদেষ্টা মুজিবুর রহমান মুজিব, আলহাজ্ব তৈমুছ আলী, সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, লুতফুর রহমান, গোলাম রাব্বানী, গোলাম রাব্বানী সুহেল, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম কামাল উদ্দিন, আতিকুর রহমান চৌধুরী পাপ্পু, সাংগঠনিক সম্পাদক খসরুজ্জামান খসরু, সুজাত রাজা, মশাহিদ তালুকদার, নাসিম আহমদ চৌধুরী, গোলজার আহমদ,
লন্ডন মহানগর বিএনপি সভাপতি মো: তাজুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক আবেদ রাজা, টাওয়ার হ্যামলেটস বিএনপির সভাপতি কাজী ইকবাল হোসেন, সাধারন সম্পাদক সুফী মিয়া মেল, ইস্ট লন্ডন বিএনপির সভাপতি ফকরুল ইসলাম বাদল, সাধারন সম্পাদক এস এম লিটন, নিউহ্যাম বিএনপির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, সাধারন সম্পাদক সেবুল মিয়া, সেন্ট্রাল লন্ডন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ, সাধারন সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, লন্ডন নর্থ ওয়েস্টের সভাপতি হাজী এম এ সেলিম সাধারন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, ক্যামডেন এন্ড ওয়েস্টমিনিস্টার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিহাব আহমেদ, সাধারন সম্পাদক পারভেজ কবির, এনফিল্ড বিএনপির সভাপতি মো: হেলাল উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক মো: ফয়জুল হক, লন্ডন সাউথ ইস্ট বিএনপির সভাপতি সালেহ আহমেদ জিলান, সাধারন সম্পাদক মো: মকসুদ আলী জাকারিয়া, ক্রয়ডন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সবুর চৌধুরী সোহেল, সাধারন সম্পাদক আনোয়ার চৌধুরী, কেন্ট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহিন ইসলাম, সাধারন সম্পাদক রুহুল আমিন রুহুল, সাসেক্স বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ শামীম আহমেদ, গ্রেটার সাসেক্স বিএনপির সভাপতি এম এ মুকিত, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক এডভোকেট শাহরিয়ার কোরেশী , মিডেলসেক্স বিএনপির আহবায়ক মো: বশির আহমেদ সদস্য সচিব নিজাম এম রহমান, লুটন বিএনপির আহবায়ক আব্দুল হাই, যুগ্ম আহবায়ক মনজুর আহমেদ শাহনাজ, বেডফোরড বিএনপির সভাপতি তরু মিয়া, সাধারন সম্পাদক রাজু মিয়া, সেন্ট এ্যালবান্স বিএনপির সভাপতি শাহনুর মিয়া চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক আকিকুর রহমান, ক্যামব্রীজ বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন, সাধারন সম্পাদক শাহীন মিয়া, কোলচেস্টার বিএনপির সভাপতি মিসবাহ উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক ইসতিহাক হোসেন দুদু, সুইনডন বিএনপির সভাপতি এম এ কাহার, সাধারন সম্পাদক বাবু সুমন রায়, মিল্টন কেইনস বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ সাহেল, সাধারন সম্পাদক মো: আবুল কালাম আজাদ, ইপ্সুইস এন্ড সাফোক্স বিএনপির সভাপতি জুলফিকার মোহাম্মদ আলী, সাধারন সম্পাদক বদরুল আমীন চৌধুরী আরিফ, নর্থহ্যাম্পশায়ার বিএনপির সভাপতি হারুন আলী, সাধারন সম্পাদক তৈয়বুর রহমান হুমায়ুন, বার্মিংহাম সিটি বিএনপির সভাপতি জাহিদ চৌধুরী,সাধারন সম্পাদক আবজার হোসেন, বার্মিংহাম ওয়েস্ট মিডল্যান্ড বিএনপির সভাপতি সৈয়দ জামশেদ আলী, সাধারন সম্পাদক আব্দুল খালিক, ইস্ট মিডল্যান্ড বিএনপির সভাপতি হাজী শহীদ উল্লাহ খান, সাধারন সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্দুল মজিদ তাহের, কভেন্ট্রি বিএনপির সভাপতি জামিল ইসলাম জামিল,সাধারন সম্পাদক মেহেরাব উদ্দিন, পোস্টমাউথ বিএনপির সভাপতি আব্দুল আহাদ, সাধারন সম্পাদক সোমেল চৌধুরী, সাউথহ্যাম্পটন বিএনপির সভাপতি মনসুর রহমান শাহী, সাধারন সম্পাদক আওটাদ হোসেন, কার্ডিফ বিএনপির সভাপতি মোস্তফা সালেহ লিটন, সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সোয়ানশী বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাদির, সাধারন সম্পাদক মো: জয়নাল মিয়া, গ্লোস্টাশায়ার এন্ড উরস্টাশায়ার বিএনপির সভাপতি মান্নান, সাধারন সম্পাদক বোরহান চৌধুরী, ম্যানচেস্টার বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন, সাধারন সম্পাদক লিটন চৌধুরী , ওল্ডহ্যাম বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক মওদুদ আহমেদ, রচডেল বিএনপির সভাপতি মইন উদ্দিন , ব্রানলী বিএনপির সভাপতি মো: সামসুল ইসলাম , সাধারন সম্পাদক ফয়জুন নুর, টেমসাইড বিএনপির আহবায়ক বদরুল আলম, সদস্য সচিব সিবগাত আলী খান আফজাল, লিভারপুল বিএনপির সভাপতি সৈয়দ বেলাল উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক আব্দুল হাসিম ভূঁইয়া, শেফিল্ড বিএনপির সভাপতি মো: আনোয়ার আলী, সাধারন সম্পাদক আক্তার আলী , হাল বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী খান, সাধারন সম্পাদক আবুল হাসনাত কয়েস, লিডস বিএনপির সভাপতি মো: আঙ্গুর মিয়া, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ জহুরুল ইসলাম, ব্রাডফোরড বিএনপির সভাপতি মো: ফয়জুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক শাহ মো: নুরে আলম রব্বানী, ডারলিংটন এন্ড টিসাইড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মনজুরুল হক, নর্থ ইস্ট বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান মুন্না, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মোসাদ্দিক আহমেদ, স্কটল্যান্ড বিএনপির আহবায়ক আব্দুল মুহিদ খান বাদশা, সদস্য সচিব এডভোকেট মোস্তফা মিয়া প্রমুখ।















