টাওয়ার হ্যামলেটস চিলন্ড্রেন সার্ভিসের অগ্রগতি: অফস্টেড এর সন্তোষ প্রকাশ

1399

ওয়ানবাংলানিউজ: গত ১২ এবং ১৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় মনিটরিং ভিজিটের পর অফস্টেড ইন্সপেক্টর ব্রেন্ডা ম্যাকললিন টাওয়ার হ্যামলেটস চিলন্ড্রেন সার্ভিসের ডাইরেক্টর ডেভি জোন্সকে লেখা এক চিঠিতে এই অগ্রগতিকে উ্সাহব্যাঞ্জক হিসাবে আখ্যায়িত করে বলেন, কাউন্সিলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের নিরলস পদক্ষেপ এই সার্ভিসে পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। নেতৃবৃন্দ এবং ম্যানেজাররা স্থায়ী পরিবর্তনের লক্ষ্যে তাদের কাজে উল্লেখ করার মতো অঙ্গীকার এবং দৃঢ়তা প্রদর্শন করেছেন। আমাদের পরিদর্শনকালে কোন শিশুকেই ঝুঁকির মধ্যে পাওয়া যায়নি।

২৪ জানুয়ারী, বুধবার এই চিঠিটি কাউন্সিলের কাছে পাঠানোর পাশাপাশি অফস্টেডের ওয়েভসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, গত বছরের এপ্রিল মাসে অফস্টেডের প্রতিবেদনে টাওয়ার হ্যামলেটস চিলন্ড্রেস সার্ভিসের সমালোচনা করে এর মান ষ্ক্রযথোপযুক্ত নয় বলে আখ্যায়িত করা হয়েছিলো। এর পর অফস্টেড নিয়মিতভাবে এই সার্ভিসের অগ্রগতি মনিটর করার ঘোষনা দিয়ে এর উন্নতিতে একটি গাইড লাইন প্রদান করে কাউন্সিলকে।

এই গাইড লাইন মোতাবেক টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল কাজ শুরুর পর দ্বিতীয় মনিটরিং রিপোর্টে অফস্টেড চিলন্ড্রেন সার্ভিসের অগ্রগতি কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করলো। গত এপ্রিলে অফস্টেডের নেতিবাচক রিপোর্টের পরপরই টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল চিলন্ড্রেন সার্ভিসের মানোন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত ৪.৮ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ দিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহন করে। ২০১৯ সালের এপ্রিলে পরবর্তী অফস্টেড ইন্সপেকশনে যাতে ভালো রেটিং লাভ করতে পারে এজন্য এই পরিকল্পনা সাজানো হয়। একইসাথে কাউন্সিল ষ্ক্রচিলন্ড্রেন সার্ভিস ইমপ্রুভমেন্ট প্ল্যানম্ব নামে একটি বিশেষ পরিকল্পনাও ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশন এর কাছে প্রদান করে। টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল বর্তমানে এই পরিকল্পনা মোতাবেক কাজ করছে এবং কাজ শুরুর ৭ মাসের মাথায় এর ইতিবাচক ফল লাভ করলো।

এদিকে টাওয়ার হ্যামলেটসের চিলন্ড্রেন সার্ভিস সম্পর্কে অফস্টেডের রিপোর্টে ইতিবাচক পরিবর্তনের চিত্র উঠে আসায় বারার নির্বাহী মেয়র জন বিগস তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, শিশুদের সুরক্ষার বিষয়টি কাউন্সিলের কাছে সর্বোচ্চচ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অফস্টেডের মনিটরিং রিপোর্টটি প্রমাণ করলো চিলন্ড্রেন সার্ভিসের মানোন্নয়নে আমরা উল্লেখকরার মতো অগ্রগতি সাধন করে চলেছি এবং এই অগ্রগতি শিশুদের উপর যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে তাই আলোকপাত করা হয়েছে। আমি চাই যত দ্রুতসম্ভব পরিবর্তন আনতে এবং এও জানি আমাদের এখনো অনেক কাজ বাকী। তাই আমাদের এখনই স্বস্তি প্রকাশের সময় হয়নি। তবে অফস্টেডের ইতিবাচক রিপোর্ট পরিষ্কার বার্তা দিলো যে, আমরা সঠিক পথে রয়েছি এবং আমাদের কাজের উপর ইন্সপেক্টরদের আস্থা রয়েছে। মেয়র বলেন, তাদের চিঠিতে কোন কোন ক্ষেত্রে আরো মনোযোগ প্রয়োজন তাও উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে ম্যানেজাররা সেসব দূর্বল জায়গাগুলোতে প্রাধান্য দিচ্চেছন। আগামী দিনগুলোতে আমরা স্থায়ী স্টাফ নিয়োগের বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হবে বলেও মেয়র জানান।

এডুকেশন এবং চিলন্ড্রেন সার্ভিস বিষয়ক কেবিনেট মেম্বার কাউন্সিলার এ্যামি হোয়াইটলক গিবস তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, গত অফস্টেড রিপোর্টের পর কাউন্সিল তার পার্টনারদের নিয়ে পরিবর্তনের লক্ষ্যে উচ্চচাভিলাসী উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করে। আমি আনন্দিত যে অফস্টেড এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য এবং ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পেয়েছে। তিনি বলেন, আমরা জানি, আমাদের অনেক কাজ বাকী। তারপরও অফস্টেড কতৃক আমাদের ভালো পদক্ষেপগুলোকে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়টি ইতিবাচক। আর এজন্য চিলন্ড্রেস সার্ভিসের সকল স্টাফদেরকে আমি ধন্যবাদ জানাই।