ওয়ানবাংলানিউজ: এনএইচএস এর বাজেট কাটের আশংকায় টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র জন বিগস টোরী সরকার প্রস্তাবিত সাসটেইনেবিলিটি এন্ড ট্রান্সফরমেশন প্ল্যানে (এসটিপি) স্বাক্ষর করতে অপারগতা জানিয়েছেন। মেয়রের মতে এব্যাপারে যথেষ্ট পাবলিক কনসালটেশন হয়নি এবং এতে গোপনীয়তা রয়েছে। এই প্ল্যানের অধীনে মেয়র আরো বাজেট কাটেরও আশংকা করছেন।
উল্লেখ্য যে, বর্তমান টোরী সরকার এনএইচএস এবং ৪৪ টি স্থানীয় কাউন্সিলকে একসাথে কাজ করার আহধ্বান জানিয়ে সাসটেইনেবিলিটি এন্ড ট্রান্সফরমেশন প্ল্যানে (এসটিপি) স্বাক্ষরের নির্দেশ দিয়েছে। ৫ বছর মেয়াদি এই প্ল্যান ফান্ডিং এবং বিভিন্ন এলাকায় এনএইচএস এর সার্ভিস পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। কিন্তু টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র মনে করছেন এটি সরকারের এনএইচএস এর আরেক দফা বাজেট কাটের পরিকল্পনা।
২০১৬ সালের অক্টেবরে এই দ্যা নর্থ ইস্ট লন্ডন (এনইএল) সাসটেইন্যাবিলিটি এন্ড ট্রান্সফরমেশন প্ল্যান প্রকাশ করা হয় এবং এতে টাওয়ার হ্যামলেটস অন্তর্ভূক্ত। এতে উল্লেখ রয়েছে যে, বর্তমান ধারায় সার্ভিস অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালের মধ্যে নর্থ ইস্ট লন্ডন ৫৭৮ মিলিয়ন পাউন্ড বাজেট ঘাটতির মধ্যে পড়বে। আর এজন্য মেয়র বিগস তার কেবিনেট মে“ারদেরকে সাথে নিয়ে স্থানীয় এনএইচএস এর কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করে বাজেট সংকোচন এবং একে ঘিরে গোপনীয়তা সম্পর্কে তার উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।
মেয়র বলেন, এখানকার এনএইচএস (টাওয়ার হ্যামলেটস) এসটিপি প্ল্যান নিয়ে খোলামেলা এবং আমাদের আহধ্বানে সাড়া দিয়ে তারা এটি অনলাইনে প্রকাশ করেছে। অন্যান্য এড়িয়ার তুলনায় তারা অবশ্য স্বচ্চছ। মেয়র বলেন, তারপরও এর প্রসেস নিয়ে আমার গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে এনএইচএস ইংল্যান্ড কতৃক এসটিপি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও গোপনীয়তা নিয়ে। এছাড়া ইস্ট লন্ডন এনএইচএসের বাজেট সমস্যার বিষয়টিও উদ্বেগের।
আর এজন্য আমি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে, আমার এসব উদ্বেগ দূর না হলে আমি এই এসটিপি প্ল্যানে স্বাক্ষর করবো না। এটা শুধু এনএইচএস এর বাজেট কাটই নয়, এটা সোশাল কেয়ার এবং পাবলিক হেলথ সার্ভিসকেও কঠিন করে তুলবে। আর এজন্য আমি তীব্রভাবে সরকারের এনএইচএস এর বাজেট কাটের প্রতিবাদ জানাই এবং এর বিরুদ্ধে আমার লড়াই অব্যাহত থাকবে।
ডেপুটি মেয়র কাউন্সিলার র্যাচেল স্যান্ডার্স তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমাদের আরো বিস্তারিত জানা উচ্ িএটা কীভাবে সার্ভিসে পরিবর্তন আনবে এবং সোশাল কেয়ার ও পাবলিক হেলথের মতো কাউন্সিল সার্ভিসকে প্রভাবিত করবে। এতে স্বাক্ষরের আগে আমাদের মোট ৮টি উদ্বেগ দূর করতে হবে। আর এজন্য বলবো মেয়র এতে স্বাক্ষর না করে সঠিক কাজটিই করেছেন। এটি চূড়ান্তের আগে অবশ্যই জনসাধারনের মতামত নিতে হবে।















