হাঁপানি প্রতিরোধের ঘরোয়া কিছু উপায়

1447

অ্যাজমা বা হাঁপানি হচ্ছে ফুসফুসের একটি রোগ যার কারণে শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা হয়। এটি সাধারণত দুই ধরনের হতে পারে একটি খুব তীব্র হয় আর অন্যটি হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী। বিশেষ করে শীতকালে হাঁপানি রোগীদের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায় বেশি।

যেহেতু শীতকাল চলে আসছে তাই হাঁপানি রোগীদের জন্য সতর্ক থাকার সময় এই সময়ই। হাঁপানি রোগের প্রতিরোধে যদিও অনেক ঔষধ রয়েছে তবে কিছু ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমেও হাঁপানির আক্রমনে উপশম করা সম্ভব।

পেঁয়াজ: পেঁয়াজ যে কোনও প্রদাহজনিত রোগ উপশমে খুবই উপকারি। তা ছাড়া নাসাপথকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। শ্বাসকষ্ট দূর করতে কাঁটা পেঁয়াজ খেয়ে দেখতে পারেন।

লেবু: লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এক গ্লাস জলের মধ্যে লেবুর রস এবং সামান্য চিনি দিয়ে রোজ খেয়ে দেখতে পারেন। হাপানির কষ্ট অনেক কম হবে।

ল্যাভেন্ডার তেল: গরম পানির মধ্যে ৫-৬ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল ফেলে দিন। এ বার ধীরে ধীরে ভেপার নিন। ম্যাজিকের মতো কাজ হবে।

মধু: হাঁপানি নিরাময়ের অন্যতম প্রাচীন উপায় হল মধু। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজ রাতে ঘুমোবার আগে এক চামচ মধুর সঙ্গে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে শ্বাসকষ্ট কমে যায়। সর্দি-কাশিতেও অনেক আরাম পাওয়া যায়।

আদা: পানির মধ্যে এক টুকরো আদা ফেলে ফোটান। এ বার পাঁচ মিনিট রেখে সেই মিশ্রণ খেয়ে নিন। শুধু হাঁপানি নয়, জ্বর, সর্দি-কাশি নয়, যে কোনও রোগেই সমান উপকারি আদার রস।

রসুন: এক কাপ দুধের মধ্যে ৩-৪ কোয়া রসুন ফেলে ফুটিয়ে সেই মিশ্রণ পান করুন। ফুসফুসের যে কোনও রোগ নিরাময়ে রসুনের রস খুবই উপকারি।

কফি: হাঁপানির কষ্ট নিরাময়ে খুবই নির্ভরযোগ্য পানীয় কফি। এক কাপ গরম কফি শ্বাসনালীর প্রদাহ কম করে। শরীরে এনার্জি যোগায়।