লন্ডনে অভিবাসনবিরোধী আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা দিল RSLI

71

সাইফ হাসান: যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথে সাগর উপকূলে জড়ো হওয়া অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ উদ্ধারকারী সংস্থা আরএনএলআই। রোববার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে আসা ১৪০ জন অভিবাসীকে তীরে আনার সময় স্থানীয়ভাবে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় একটি দল। এ সময় অনেক বিক্ষোভকারী সাগরের পানিতে নেমে পড়লে চার দলের উদ্ধারকর্মীরা তাদের সুরক্ষায় সহায়তা দেন। তবে উদ্ধারকাজে সম্পৃক্ত থাকায় আরএনএলআই কর্মীদের অনলাইনে ও সামনাসামনি বিভিন্ন অপ*রাধমূলক আচরণের মুখে পড়তে হচ্ছে। কর্মীদের লক্ষ্য করে অপপ্রচার চালানোয় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।

যুক্তরাজ্যের ইস্টনিতে আরএনএলআইয়ের সহায়তায় ১৪০ জন অভিবাসীকে নিরাপদে নিয়ে আসা হচ্ছিল। সেই সময় অভিবাসনবিরোধীরা সেখানে জড়ো হয়ে রাস্তা বন্ধ করে বাধার সৃষ্টি করে। উদ্ধারকারী সংস্থার প্রধান নির্বাহী পিটার স্পার্কস কর্মীদের উদ্দেশে পাঠানো এক বার্তায় জানান, বিক্ষোভকারীদের অনেকেই বিপজ্জনকভাবে পানিতে নেমে পড়েছিলেন এবং তাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই কাউজ, হেইলিং আইল্যান্ড, পোর্টসমাউথ ও সেলসি থেকে চারটি লাইফবোট নিয়োজিত রাখা হয়।

উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরএনএলআই কর্মীদের ছবি ছড়িয়ে দিয়ে তাদের দেশদ্রোহী বলে আক্রমণ করা হচ্ছে। নেইল নামের এক উদ্ধারকর্মী জানান, সৈকতে আলো জ্বালিয়ে পানিতে থাকা বিক্ষোভকারীদের নিরাপদে রাখাই ছিল তাদের দায়িত্ব এবং তারা কোনোভাবেই দেশদ্রোহী নন। কর্মীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রয়োজন ছাড়া সংস্থার পোশাক না পরার এবং গাড়ি থেকে প্রাতিষ্ঠানিক স্টিকার সরিয়ে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পুল এলাকার স্থানীয় এমপি ভিকি স্লেড পার্লামেন্টে উদ্ধারকর্মীদের সুরক্ষার বিষয়টি উত্থাপন করে জানান, উগ্রপন্থীদের বাধার ভয়ে অনেক স্বেচ্ছাসেবী বাড়ি থেকে কাজ করছেন। যুক্তরাজ্যের ডিজিটাল ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী লিসা ন্যান্ডি আইনপ্রণেতাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, কর্মীদের নাম, ঠিকানা ও ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কথা বলেছে সরকার এবং প্রশাসন এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।

#aknews #onebanglanews #যুক্তরাজ্যসংবাদ #অভিবাসনসংকট #উদ্ধারক্যাম্পেইন