সাইফ হাসান: যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিমানবন্দরে মারাত্মক প্রযুক্তিগত গোলযোগের কারণে শত শত বিমান যাত্রী তাদের মালামাল ছাড়াই গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছেন। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই বিশৃঙ্খলার কারণে যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, সাইপ্রাস ও ইতালিগামী বিভিন্ন ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাগেজ না পাওয়ায় অনেক যাত্রী ছুটির আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। যদিও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে অধিকাংশ লাগেজ দ্রুত ফেরত দেওয়ার কাজ চলছে।
বার্মিংহাম বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া শত শত যাত্রীর লাগেজ বিমানে না তোলায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়। এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হয়েছে এবং সিংহভাগ মালামাল যাত্রীদের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে। বাকি লাগেজগুলো দ্রুত তাদের প্রকৃত মালিকদের কাছে ফেরত পাঠানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের একজন লুইস ফেন্টন জানান, তার পরিবারের মালামাল স্পেনের গ্রান ক্যানারিয়ায় না পৌঁছানোয় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে অটিজমে আক্রান্ত তার মেয়ে বিকল্প পোশাক ব্যবহার করতে না পেরে মারাত্মক মানসিক কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে পুরো ছুটির আমেজ নষ্ট হয়ে গেছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
অন্যান্য দেশের ফ্লাইটেও একই ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন যাত্রীরা। রোমগামী যাত্রী সাইমন লেল্যান্ড এবং তুরস্কগামী হ্যালি চ্যাপম্যান জানান, প্রয়োজনীয় জামাকাপড় ও প্রসাধনসামগ্রী কিনতে তাদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। অনেক যাত্রী তাদের লাগেজে এয়ারট্যাগ ব্যবহার করে অবস্থান ট্র্যাক করার চেষ্টা করছেন।
ভ্রমণ বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্দিষ্ট সময়ে সব লাগেজ নিখোঁজ হওয়ার এমন ঘটনা বিরল। তারা জানান, সাধারণত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরবর্তী ফ্লাইটে মালামাল পৌঁছে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এই ঘটনায় যাত্রীরা তাদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানাতে পারবেন এবং বিমান সংস্থাগুলোর মাধ্যমে নিয়মানুযায়ী তা পরিশোধ করা হবে।
#aknews #onebanglanews #যুক্তরাজ্য #বার্মিংহাম #আন্তর্জাতিকসংবাদ















