ব্রিটেনে ছয়টি বন্য পাখির সংখ্যা কমে যাওয়া ঠেকাতে নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী শিকার সীমিত করা হবে। এই পরিকল্পনার আওতায় একটি বিরল ও সুন্দর হাঁস শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হতে পারে।
নতুন নিয়মে উডককসহ পিনটেইল, গোল্ডেনআই এবং পচার্ড প্রজাতির হাঁস শিকারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। এসব পাখি বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের সংখ্যা দ্রুত কমে গেছে।
পচার্ড, যা একসময় শীতকালে হ্রদ ও জলাধারে সহজেই দেখা যেত, এখন দ্রুত বিলুপ্তির পথে। প্রস্তাব অনুযায়ী এই প্রজাতির শিকার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হবে। যুক্তরাজ্যে এদের ছোট একটি প্রজনন জনসংখ্যা রয়েছে এবং শীতকালে দেশটি তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।
উডকক, ছোট পা ও লম্বা ঠোঁটযুক্ত একটি পাখি, এর সংখ্যাও কমছে। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা (IUCN) এটি উচ্চ সংরক্ষণ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ‘রেড লিস্ট’-এ রেখেছে। নতুন প্রস্তাবে ইংল্যান্ড, ওয়েলস ও স্কটল্যান্ডে উডককের সুরক্ষা সময় (ক্লোজ সিজন) আরও বাড়ানো হবে।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা স্থানীয় সরকারের অধীন হলেও ওয়েস্টমিনস্টার, হলিরুড ও সেনেডের সমন্বয়ে ১৯৮১ সালের ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড কান্ট্রিসাইড আইনে পরিবর্তন আনা হবে। এই আইনে কোন পাখি কখন শিকার করা যাবে, তা নির্ধারণ করা থাকে।
প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের আগে একটি পরামর্শ প্রক্রিয়া চালানো হবে। এতে উড পিজনকেও আইনের আওতায় আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে, যাতে তাদের প্রজনন মৌসুমে শিকার নিষিদ্ধ করা যায়। যদিও ফসল রক্ষার জন্য কৃষকরা এই পাখি অনেক বেশি শিকার করেন।
প্রকৃতি বিষয়ক মন্ত্রী মেরি ক্রি বলেন, সরকার বন্যপ্রাণী রক্ষা ও প্রাণীর কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, “উডকক, পচার্ড, গোল্ডেনআই ও পিনটেইল হাঁস আমাদের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ পাখি। তাদের দ্রুত কমে যাওয়া উদ্বেগজনক, তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।”















