স্টারমার যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করে হামলার অনুমতি দেওয়ার পর ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, তবে কোনোটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারেনি।
খবরে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি থেকে আরও হামলা চালানোর অনুমতি দেওয়ার পর ইরান সতর্ক করে যে ব্রিটিশদের জীবন “ঝুঁকিতে” রয়েছে এবং এরপর ডিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপে অবস্থিত যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ ঘাঁটির দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
ইরানের সংবাদ সংস্থা মেহর জানায়, তেহরান চাগোস দ্বীপপুঞ্জের দিকে দুটি মধ্য-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, তবে কোনোটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানেনি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, একটি ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ভূপাতিত করে এবং অন্যটি মাঝপথেই ব্যর্থ হয়।
ডিয়েগো গার্সিয়া, যা চাগোস দ্বীপপুঞ্জের অংশ, ইরান থেকে প্রায় ৩,৮০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং এটি দীর্ঘ-পাল্লার মার্কিন বোমারু বিমান রাখার সক্ষমতাসম্পন্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি।
শুক্রবার যুক্তরাজ্যের মন্ত্রীরা যুক্তরাষ্ট্রকে ডিয়েগো গার্সিয়াসহ ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলার অনুমতি দেয়, যা হরমুজ প্রণালীকে লক্ষ্য করেছিল। এর আগে এসব ঘাঁটি শুধুমাত্র প্রতিরক্ষামূলক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, তারা “আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে”।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে অনুমতি দিতে যুক্তরাজ্যের আরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল। তিনি ন্যাটো মিত্রদেরও সমালোচনা করেন।
যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরে বিরোধী দলগুলো বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার আগে পার্লামেন্টে ভোট হওয়া উচিত ছিল।
পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে স্টারমার আগামী সপ্তাহে জরুরি ‘কোবরা’ বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।














