১৯ জানুয়ারি, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের ৯০তম জন্মবার্ষিকী।
১৯৩৬ সালের এই দিনে তিনি বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন।
বিশিষ্ট রসায়নবিদ মনসুর রহমান ও জাহানারা খাতুন দম্পতির পাঁচ ছেলের মধ্যে জিয়াউর রহমান ছিলেন দ্বিতীয়।
তার ডাক নাম কমল। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৩ সালে তিনি যোগ দেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক বাণী দিয়েছেন।
এ দিকে যুক্তরাজ্যের স্কানথর্প বিএনপি’র অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে ভার্চুয়ালে যুক্ত হন যুক্তরাজ্যের বিএনপির আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ ও সদস্য সচিব খসরুজ্জামান খসরু, সভাপতিত্ব করেন স্কানতর্প বিএনপির মোহাম্মদ শহিদুর রহমান জামাল, শাহ আক্কাস আলী, আব্দুল্লাহ আল আজিজ,আক্তার চৌধুরী , নাঈম তালুকদার, মাহবুবুর রহমান জাকির,
প্রধান অতিথি বক্তৃতায় বলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গড়া জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আর এই রাজনৈতিক দল তার সহধর্মিণী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃত।
আর বেগম খালেদা জিয়া দেশের জনপ্রিয় নেতৃত্বে পরিণত হন। জিয়াউর রহমানের জনপ্রিয়তা এবং বেগম খালেদা জিয়ার নিজস্ব নেতৃত্ব গুণে তিন তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
বিশেষ অতিথি যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সদস্য সচিব খসরুজ্জামান খসরু বলেন
অসাধারণ দেশপ্রেমিক, অসম সাহসীকতা, সততা-নিষ্ঠা ও সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের প্রতীক জিয়াউর রহমানের অবদান দেশের জন্য অসামান্য। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার সাথে তিনি যুদ্ধ করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন তিনি। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশীদের বিশ্ব মানচিত্রে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত করিয়েছেন স্বাতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে। জাতির মর্যাদাকেও বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত করেছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ ছাত্রদল ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ খাদিমুল ইসলাম, মালেক মিয়া, মোহাম্মদ আবু খালেদ, মোহাম্মদ শিপন চৌধুরীর, মাহমুদুল হক মান্না, এডভোকেট আরিফ, এডভোকেট এবাদুর রহমান, বেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ সোহেল,মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ, ইমন চৌধুরী, শাহেদুর রহমান, রামিমুল ইসলাম,















