সাইফ হাসান: দীর্ঘ সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকা বা গেম খেলা কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায় না বলে দাবি করা হয়েছে এক বিশাল গবেষণায়। যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দীর্ঘ তিন বছর ধরে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থীর ওপর এই জরিপ চালিয়ে এমন তথ্য পেয়েছেন। বর্তমানে অনেক দেশ যখন ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে, ঠিক তখনই এই গবেষণার ফলাফল প্রচলিত ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।
গবেষকরা ১১ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহারের ধরণ পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা দেখেছেন, যারা নিয়মিত গেম খেলে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি সময় দেয়, পরবর্তী বছরে তাদের মধ্যে বিষণ্ণতা বা উদ্বেগের মতো কোনো লক্ষণ বৃদ্ধি পায়নি। ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই এই ফলাফল একই রকম দেখা গেছে।
প্রধান গবেষক ড. কিকি চেং জানান, অভিভাবকরা সন্তানদের স্ক্রিন টাইম নিয়ে চিন্তিত থাকেন, কিন্তু শুধুমাত্র গেম খেলা বা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটানোই মানসিক সমস্যার মূল কারণ নয়। তিনি বলেন, বিষয়টি যতটা সহজ ভাবা হয় আসলে তা অনেক বেশি জটিল। শুধুমাত্র চ্যাটিং করা বা নিউজফিড স্ক্রল করা মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে না।
তবে গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন যে অনলাইনে সবকিছুই নিরাপদ এমনটা ভাবার সুযোগ নেই। সহ-লেখক অধ্যাপক নীল হামফ্রে বলেন, প্রযুক্তি বা স্ক্রিন টাইমকে দোষ না দিয়ে বরং দেখা উচিত ছেলেমেয়েরা অনলাইনে কী করছে। কটু কথা, অনলাইন বুলিং বা ক্ষতিকর কন্টেন্ট অবশ্যই মনের ওপর প্রভাব ফেলে, কিন্তু এর জন্য প্রযুক্তির ব্যবহারের সময়সীমা দায়ী নয়।
#SocialMediaStudy #MentalHealth #GamingNews #aknews #onebanglanews















