ঐতিহাসিক প্রাসাদের লাইব্রেরিতে বসে বই পড়ার সুযোগ দিচ্ছে ন্যাশনাল ট্রাস্ট

73

সাইফ হাসান: যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক ভবনগুলোতে এখন থেকে দর্শনার্থীরা আরাম করে বসতে পারবেন। ন্যাশনাল ট্রাস্ট তাদের পরিচালিত প্রাসাদের লাইব্রেরিগুলো সাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগে এসব জায়গায় বসা বা আসবাবপত্র ছোঁয়া কঠোরভাবে নিষেধ ছিল। এখন তারা চাইছে মানুষ যেন সেখানে নিজেদের বাড়ির মতো আরাম অনুভব করেন।

একসময় ন্যাশনাল ট্রাস্টের রক্ষণাবেক্ষণে থাকা প্রাচীন প্রাসাদগুলোতে দর্শনার্থীদের আসবাবপত্রে বসা প্রায় অসম্ভব ছিল। চেয়ারে কেউ যাতে ভুল করে বসে না পড়ে, সেজন্য পাইন কোণ বা কাঁটা দিয়ে সতর্ক করা হতো। কিন্তু নতুন বছরে সংস্থাটি চাইছে মানুষ এসব রাজকীয় বাড়িতে এসে শুধুই তাকিয়ে না থেকে কিছুটা সময় বিশ্রাম নিক।

ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের ওয়াইটউইক ম্যানর এবং নরফোকের ব্লিকলিং এস্টেটে ইতোমধ্যে দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওয়াইটউইক ম্যানরে যেসব চেয়ারে বসা যাবে, সেগুলো বিড়ালের ছবিওয়ালা কুশন দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া ওয়েলসের পউইস ক্যাসল ও ডরসেটের কিংস্টন ল্যাসির লাইব্রেরিগুলোও বইপ্রেমীদের পড়ার জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে।

ন্যাশনাল ট্রাস্টের কালচারাল হেরিটেজ ডিরেক্টর টারনিয়া কুপার বলেন, “আমরা চাই মানুষ এখানে এসে থামুক এবং নিজেদের বাড়ির মতো প্রশান্তি অনুভব করুক।” তবে সব ঐতিহাসিক আসবাবপত্রে বসা যাবে না; শুধুমাত্র যেগুলো ব্যবহারযোগ্য এবং মজবুত, সেগুলোই দর্শনার্থীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে বলে জানান তিনি।

স্থাপত্যের পাশাপাশি প্রকৃতির সাথে মানুষের সংযোগ বাড়াতেও নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি। বিভিন্ন শহরে বড় পর্দায় বন্যপ্রাণীদের জীবনযাত্রা দেখানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া কর্নওয়ালের হার্টল্যান্ডস এলাকা রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে ঐতিহ্যের সাথে আধুনিকতার মেলবন্ধন ঘটাতে চাইছে ন্যাশনাল ট্রাস্ট।

#NationalTrust #UKHistory #TravelNews #aknews #onebanglanews