সাইফ হাসান: লন্ডনে গত এক যুগের মধ্যে হ*ত্যার ঘটনা রেকর্ড পরিমাণ কমে এসেছে। মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্যমতে ২০২৫ সালে হ*ত্যার সংখ্যা ছিল গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে বড় অপ*রাধ কমলেও নগরজুড়ে ফোন চু*রি ও শপলিফটিং নিয়ে আতঙ্ক বাড়ছে। পুলিশ বলছে গ্যাং দমনে প্রযুক্তির ব্যবহার ও কঠোর অভিযানের ফলেই হ*ত্যার হার কমানো সম্ভব হয়েছে।
মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে লন্ডনে ৯৭টি হ*ত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যা ২০১৪ সালের পর সবচেয়ে কম। নিউইয়র্ক বা বার্লিনের তুলনায় লন্ডনে এখন হ*ত্যার হার অনেক নিচে। এছাড়া কিশোরদের মৃ*ত্যুর সংখ্যাও কমে দাঁড়িয়েছে আটে, যা ২০১২ সালের পর সর্বনিম্ন রেকর্ড।
মেট পুলিশ কমিশনার স্যার মার্ক রোলি বলেছেন, ফেসিয়াল রিকগনিশন ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করে গ্যাং সদস্যদের দমন করায় এই সাফল্য এসেছে। লন্ডনের মেয়র সাদিক খান ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনার জবাব দিয়ে বলেন, লন্ডন বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ শহর এবং ট্রাম্প আসলে জেলাস। তবে তিনি স্বীকার করেন, বাজেটের অভাবে পুলিশিং ব্যবস্থায় কিছুটা টানাপড়েন চলছে।
হ*ত্যা কমলেও লন্ডনে ফোন চু*রি ও দোকান থেকে পণ্য সরানোর ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। গত পাঁচ বছরে ফোন চু*রি ২৫ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় পশ্চিম ইউরোপে লন্ডনকে এখন ‘ফোন চু*রির রাজধানী’ বলা হচ্ছে। এছাড়া শপলিফটিং বা দোকান থেকে পণ্য চু*রি করার ঘটনাও ৫৪ শতাংশ বেড়েছে বলে পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে।
কনজারভেটিভ নেতা সুজান হল অবশ্য মেয়রের এই সাফল্যে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। তিনি বলেন, নারীরা এখনো লন্ডনের রাস্তায় নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন না এবং দামী ঘড়ি বা গয়না পরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিসংখ্যান দিয়ে সব বিচার না করে নারীদের নিরাপত্তা ও ছোট অপ*রাধ দমনে আরও কাজ করা জরুরি।
#LondonCrime #MetPolice #SadiqKhan #aknews #onebanglanews















