সাইফ হাসান: ইংল্যান্ডের কুখ্যাত ডানপন্থী নেতা টমি রবিনসনের বিরুদ্ধে দুই সাংবাদিককে হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে। স্টিফেন ইয়াক্সলি-লেনন নামে পরিচিত এই ব্যক্তি গত বছর ৫ থেকে ৭ আগস্ট দুই সাংবাদিকের প্রতি ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ। তিনি আগামী ৫ জুন ২০২৫-এ আদালতে হাজির হবেন। এছাড়া, তিনি আরেকটি মামলায় অক্টোবরে বিচারের মুখোমুখি হবেন।
টমি রবিনসন, যিনি ইংলিশ ডিফেন্স লিগের প্রাক্তন নেতা, বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস (সিপিএস) জানিয়েছে, তিনি দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হয়রানি ও ভয়ভীতি সৃষ্টির দুটি অভিযোগের মুখোমুখি। সিপিএস-এর মুখপাত্র বলেন, “আমরা মেট্রোপলিটন পুলিশকে স্টিফেন ইয়াক্সলি-লেননের বিরুদ্ধে দুই ব্যক্তির প্রতি হয়রানি ও ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগে মামলা করার অনুমতি দিয়েছি।” তারা আরও বলেন, “আমরা সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছি যে এই মামলা সক্রিয় রয়েছে এবং আসামির ন্যায্য বিচারের অধিকার রয়েছে।”
ঘটনাটি ২০২৪ সালের ৫ থেকে ৭ আগস্টের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে। রবিনসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দুই সাংবাদিককে লক্ষ্য করে এমন আচরণ করেছেন যা তাদের মধ্যে ভয়ের সৃষ্টি করেছে। এই মামলায় তিনি ৫ জুন ২০২৫-এ ওয়েস্টমিনস্টার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হবেন। এই ঘটনা ছাড়াও, রবিনসন আরেকটি মামলার মুখোমুখি। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কেন্ট পুলিশ তাকে ফোকস্টোনে থামিয়েছিল, কিন্তু তিনি তার মোবাইল ফোনের পিন প্রদান করতে ব্যর্থ হন। এই অভিযোগে তিনি ২০২৬ সালের অক্টোবরে বিচারের মুখোমুখি হবেন।
টমি রবিনসন দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তার ডানপন্থী কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যের কারণে তিনি বারবার আইনি সমস্যায় জড়িয়েছেন। এই অভিযোগগুলো তার বিরুদ্ধে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। সাংবাদিকদের হয়রানির মতো ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, যেখানে সাংবাদিকরা প্রায়ই হয়রানি ও হুমকির মুখোমুখি হন, এই ঘটনা গণমাধ্যমের সুরক্ষা ও স্বাধীনতার বিষয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ করে দেয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তাদের কাজের পরিবেশ উন্নত করতে আইনি ও সামাজিক পদক্ষেপ জরুরি।
এই প্রতিবেদনের সূত্র: The Guardian















