ঢাকা সংবাদদাতা: চট্টগ্রাম মহানগরীর মুরাদপুর, ফটিকছড়ি ও কক্সবাজারে দুদিন অভিযান চালিয়ে তিনটি প্রাইভেটকার ও পাঁচটি মাইক্রোবাসসহ চার চোরকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
আটকরা হলেন ইউসুফ(৬০), লিটন সেন(৩৪), হায়দার আলী(৩৪ ) ও নুরুল আলম(২৩)। প্রথম দুজনকে চট্টগ্রাম এবং শেষের দুজনকে কক্সবাজার থেকে আটক করা হয়।
শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার(পশ্চিম) এ এম হুমায়ুন কবীর।
তিনি জানান, সিন্ডিকেটটি এক জেলা থেকে গাড়ি চুরি করে অন্য জেলায় বিক্রি করত।
তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গাড়ি চোরদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে কম দামে চোরাই গাড়ি সংগ্রহ করে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন এলাকায় দুর্ঘটনা এবং পুড়ে বিনষ্ট হওয়া গাড়ির চ্যাসিস এবং কাগজপত্র নামমাত্র মূল্যে সংগ্রহ করে।
পরে গাড়ির চ্যাসিসের যে অংশে চ্যাসিস নং থাকে সে অংশ বিশেষ কৌশলে কেটে পূর্ব থেকে সংগৃহীত বিনষ্ট হওয়া গাড়ির চ্যাসিসের বিশেষ অংশ কেটে চোরাই গাড়িতে লাগিয়ে দেয় এবং চোরাই গাড়ির ইঞ্জিন নাম্বার ঘষামাজা করে নষ্ট করে দেয়।
পরে দুর্ঘটনায় নষ্ট হওয়া গাড়ির কাগজপত্র চোরাই গাড়িতে চালিয়ে দিয়ে গাড়ির কালার পরিবর্তন করে সাধারণ মানুষের নিকট আসল বলে বিক্রি করে।
তিনি আরো জানান, এই চক্রে ১৫ থেকে ২০ জন আছে। কয়েকজনের নাম ঠিকানা পেয়েছি। তাদের আটক করতে অভিযান চলছে।
এদিকে আরেক অভিযানে কক্সবাজার থেকে আসা একটি বাসে চট্টগ্রাম মহানগরীর নিউমার্কেটে তল্লাশি চালিয়ে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ মোস্তফা(৫৫), রিফাত(৩২) ও জোবায়েরকে(২৪) আটক করে র্যাব।
এ সময় তুবা লাইন পরিবহনের(ঢাকা মেট্রো ব১৪-৮৫৬১) বাসটিও জব্দ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের চট্টগ্রাম জোনের সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) এএসপি মিমতানুর রহমান।















