বিশ্বজুড়ে সমর্থন হারাচ্ছে ইসরায়েল, এ কথা বলেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইসরায়েলকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলের ভাবমূর্তি আরো ক্ষুণ্ন হওয়ার আগে এখনই গাজা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি টানা উচিত। ট্রাম্প এই প্রথম ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটির সমালোচনা করলেন।
ইসরায়েলি দৈনিক হাইয়ুমকে দেওয়া ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারটির আংশিক মুদ্রিত হয়েছে সোমবার। তিনি বলেন, অক্টোবরের ঘটনায় ইসরায়েল যেভাবে হামাসের ওপর হামলা চালিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের উপর হামলা হলেও একইভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হতো। শুধু বোকারাই এটা করবে না।
তিনি বলেছেন, বেসামরিক ভবনগুলো ধ্বংস করা ইসরায়েলের ‘বড় ধরনের একটা ভুল’। এসব ঘটনা বিশ্বের কাছে খারাপ চিত্রই তুলে ধরেছে। বিশ্ব প্রতি রাতেই এই চিত্র দেখছে। আমি দেখলাম ভবন ধসে পড়ছে মানুষের উপর।
তিনি দৈনিকটিকে বলেন, ‘যান সেটাই করুন যেটা করা দরকার। কিন্তু সেটাতো করবেন না। তবে আমি মনে করি অনেক কিকব্যাক হয়েছে। লোকজন সেটা যদি নাও দেখে থাকে, প্রতি রাতে প্রতিটি বিষয়ই আমি দেখেছি। আমি মনে করি ইসরায়েল দেখাতে চেয়েছে যে এটা কঠিন। কিন্তু কখনও কখনও আপনার এটি করা উচিত নয়।’
হোয়াইট হাউজে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ কালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ছিলের তার কাছের মানুষ এবং ট্রাম্পকে বলা হতো ‘ইতিহাসের সেরা ইসরায়েলপন্থী মার্কিন প্রেসিডেন্ট।’ তিনি নেতানিয়াহুর অনুরোধে ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন, ইসরায়েলের মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে আনেন পশ্চিম জেরুজালেমে। আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরক্কো ও সুদানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে সহায়তা করেন।
তাদের সম্পর্কে কিছুটা ফাটল ধরে ২০২০ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পকে পরাজিত করে জো বাইডেন বিজয়ী হওয়ার পর। বিজয়ের জন্য নেতানিয়াহু তাৎক্ষণিকভাবে স্বাগত জানান বাইডেনকে। ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সম্পর্কের টানাপড়েন এখান থেকেই। তারপরও ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেছেন, ‘হামাসের হামলার জন্য নেতানিয়াহু প্রস্তুত ছিলেন না।’















