ওয়ানবাংলানিউজ: ব্রিটেনে ছোট-বড় সব ধরনের দোকানে চুরি বেড়ে গেছে। কেবল চুরি বাড়েনি, দোকানের কর্মীদের মারধর করার ঘটনাও উদবেগজনকভাবে বেড়েছে। কয়েক দিন পর পরই এমন ঘটনা ঘটে নটিংহামের ব্যবসায়ী এডরিয়ানের দোকানে। যারা নিয়মিত তাঁর দোকানে চুরি করেন তাদেরক তিনি চেনেনও। কিন্তু এখন তিনি অসহায় এবং ক্লান্ত।
এডরিয়ানের দোকান থেকে প্রায় এক মাইল দূরে এক নিয়মিত দোকান চোরের সাক্ষাতকার নিলেন বিবিসি প্রতিবেদক। পরিচয় গোপন রাখতে বিবিসি প্রতিবেদক চোরের ছদ্ম নাম দিয়েছেন এইমি। এইমি জানালেন, তাঁর পার্টনার মাদকাসক্ত। মাদক কিনতে গিয়ে সব অর্থ ব্যয় হয়ে যায়। একারণে কয়েক দিন পর পর তিনি দোকানে গিয়ে চুরি করেন। দোকানের মালিকের আর্থিক ক্ষতি হয়, তিনি বোঝেন। কিন্তু অপরাধবোধ কাজ করলেও তিনি বলছেন, চুরি করা ছাড়া তাঁর উপায় নেই।
দোকানে চুরি ঠেকাতে কী করা যায়, সে সম্পর্কে পরামর্শও দিলেন এইমি।
নটিংহামের জন লুইস স্টোর থেকে এক ব্যাক্তি স্টিম আইরন চুরি করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তিনি পাকাপোক্তভাবে কাজটি করতে পারেননি। তিনি গ্রেফতার হয়েছেন।
দোকান চুরির কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মিলিয়ন মিলিয়ন পাউন্ডের ক্ষতি হচ্ছে। শত শত হাজার পাউন্ড ব্যয় করে এই চুরি দমনের চেষ্টা করছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু পুলিসের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সাড়া পাওয়া যাচ্ছেনা।
ব্রিটেনের ৮৮টি বড় রিটেইল কোম্পানির প্রধান হোম সেক্রেটারি বরাবর লেখা এক চিঠিতে সাক্ষর করেছেন। চিঠিতে তাঁরা বলেছেন, দোকান চুরির ক্রমবর্ধমান হার মোকাবেলা এবং অপরাধীদের জন্য কঠোর সাজা নিশ্চিত করতে পুলিসকে আরও তৎপর হতে হবে। দোকানের কর্মীদের মারধরের ঘটনাকে অন্য অপরাধ থেকে পৃথক হিসেবে বিবেচনা করে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার এবং এই অপরাধের শাস্তিও পুনিরধারন করার আহবান জানিয়েছেন রিটেইল ব্যবসায়ী নেতারা।















