আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করেন ভাড়াটে যোদ্ধাদের সংগঠন ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান ইভজেনি প্রিগোজিন। তার বাহিনীর যোদ্ধাদের ওপর বড় ধরনের হামলা হয়েছে দাবি করে, এর সঙ্গে পুতিনকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার হুমকি দিয়ে মস্কো বরাবর যাত্রার কথা জানায় ওয়াগনার।
এই পরিস্থিতিতে প্রিগোজিনকে ‘বিদ্রোহী’ আখ্যা দিয়েছে মস্কো। পুরো বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন পুতিন ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভের বরাতে রুশ রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, যে রাশিয়ার সমস্ত প্রধান নিরাপত্তা পরিষেবাগুলি প্রিগোজিনের বিষয়ে পুতিনকে “চব্বিশ ঘন্টা” খবরাখবর প্রদান করছে। বিষয়টি আরও ঘোলাটে হওয়ায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। তার এ ভাষণটি টেলিভিশনে প্রচার করা হবে বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা টাস নিউজ।
এদিকে, রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের সদর দপ্তর দখলে নিয়েছে দাবি করে এক ভিডিও প্রচার করে ওয়াগনার সেনারা। এক ভিডিও বার্তায় প্রিগোজিন জানিয়েছেন, তার সেনারা রোস্তোভ শহরটি অবরুদ্ধ করবে এবং রাজধানী মস্কোর দিকে এগিয়ে যাবে- যতক্ষণ না প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই সোইগু এবং জেনারেল ভেলেরি গেরাসিমোভ তাদের সঙ্গে দেখা করতে না আসছেন।
তিনি বলেছেন, আমরা এখানে এসেছি। আমরা চিফ অব জেনারেল স্টাফ এবং সোইগুর সঙ্গে দেখা করতে চাই। যতক্ষণ তারা না আসছে, আমরা এখানে থাকব, আমরা রোস্তভ অবরুদ্ধ করব এবং মস্কোর দিকে এগিয়ে যাব।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অপর এক ভিডিওতে দেখা যায়, ওয়াগনার প্রধান প্রিগোজিন দু’জন জেনারেলের সঙ্গে বসে আছেন। যার মধ্যে একজন হলেন সেনাবাহিনীর লেফটেনেন্ট জেনারেল ভ্লাদিমির আলেক্সেসেভ। এই জেনারেল এর আগে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রিগোজিনকে অস্ত্র ফেলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সূত্র: বিবিসি















