আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৪ হাজার ২১৮ জন। এখনও পর্যন্ত যা সর্বাধিক।
দেশটির বাসিন্দারা যদি এখনই সতর্ক না হন, তা হলে আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে করোনার প্রকোপে আমেরিকায় মৃতের সংখ্যা অতিক্রম করবে পাঁচ লাখ। খবর ডয়েচে ভেলের।
ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধীন ইন্সটিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড ইভালুয়েশনের এক সমীক্ষায় এ আশঙ্কা করা হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে পাস করতে না পারলেও যুক্তরাষ্ট্রে ক্রমাগত বেড়ে চলা সংক্রমণ ও মৃত্যু ঠেকাতে গত বৃহস্পতিবার অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ রেমডিসিভিরকে অনুমোদন দিয়েছিল আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)।
সেই অনুমোদন নিয়ে হু এবং এফডির মধ্যে টানাপোড়েন চলছেই। রেমডিসিভির প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘গিলিয়াড’-এর দাবি হুর রিপোর্টটি অসম্পূর্ণ।
যদিও এফডিএ জানিয়েছিল, তিনটি ট্রায়ালে ১ হাজার ৬২ রোগীর ওপরে সমীক্ষা করেছে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ।
সেখানে দেখা গেছে, রেমডিসিভিয়ারের প্রয়োগে রোগীর চিকিৎসার মেয়াদ কমেছে ১০-১৫ দিন। মৃত্যুর ঝুঁকিও কমেছে। এফডিএর আরও দাবি, হুর পরীক্ষার যে ফল প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে রোগীদের শারীরিক উন্নতির বিষয়টি কিন্তু খণ্ডন করা হয়নি।
অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতিতে এবার দেশবাসীকে বাড়ির মধ্যেই থাকার পরামর্শ দিয়ে সতর্কতা জারি করল উত্তর কোরিয়া।
দেশটির সরকারি সংবাদপত্রে জানানো হয়েছে, চীন থেকে উড়ে আসা হলুদ ধুলার (ইয়েলো ডাস্ট) মাধ্যমেও করোনাভাইরাস ঢুকে পড়তে পারে উত্তর কোরিয়ায়।
গোবি মরুভূমির এই ধুলাবাহিত ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে। একান্তই জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বেরোলে মাস্ক পরার পরামর্শও দিয়েছে উত্তর কোরিয়া প্রশাসন।
যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত করোনায় ৮৮ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ২ লাখ ৩০ হাজার ৬৮ জন।















