মো: রেজাউল করিম মৃধা: সিরিয়ায় আই এস এ যোগদান কারিনি শামীমা বেগম বৃটিশ নাগরিক তাঁকে ব্রিটেনে ফিরিয়ে আনতে হবে বলে গত বৃহস্পতিবার কোর্টে হেয়ারিং বলা হয়েছে।
২০১৫ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি লন্ডনের গেটউইক এয়ারপোর্ট দিয়ে ইস্তাম্বুল তুর্কি হয়ে সিরিয়ায় আই এস এ যোগদান করে। সাথে ছিল খাদিজা সুলতানা ১৬, এবং আমিরা আব্বাসে ১৫। শামীমা বেগম ইয়াগো রিডজিক কে বিয়ে করে। ২০১৭ সানের জানুয়ারীতে ক্যাম্পে মানবেতর জীবন যাপনে ১ বৎসরের কন্যা সন্তান ও ৩ মাসের পুত্র সন্তান মৃত্যু বরন করে। মানবেতর জীবন থেকে মুক্তির জন্য ব্রিটেনে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
শামীমা বেগম ব্রিটেনে ফিরে আসা কোর্টে গিয়ে গড়ায় । সরকারী পক্ষের কিউ সি জেম্স ফাডিয়ে তার যুক্তি উথ্থাপনে বলেন,” আই এস এ যোগদান কারী কাউ ব্রিটেনে ফিরে আসার অধিকার রাখে না”। তৎকালীন হোম সেক্রেটারী সাজেদ জাভেদ শামীমা বেগমের নাগরিকত্ব বাতিল ঘোষনা করেন।
শামীমা বেগমের পক্ষের কিউ সি টম হিকম্যান- হোম অফিসের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাই কোর্ট এবং স্পেশাল ইমিগ্রেশন আপিল কমিশনের বিরুদ্ধে আপিল করেন। কি কি কারনে একজন বৃটিশ নাগরিক তার নাগরিকত্ব হারাতে পারে সে বিষয় গুলি পরিস্কার করে তুলে ধরেন। তিনি যুক্তি তুলে ঘরে বলেন,” শামীমা বেগমকে দেশ বিহীন করা যাবে না, কারন সে যখন সিরিয়া আই এস এ যোগ দিয়েছে তখন বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর। এমনকি জিসিএসই পরীক্ষা ও দেয়নি। তখন শামীমা বেগম ইস্ট লন্ডনের বেথনাল গ্রীন একাডেমী স্কুলের ছাত্রী ছিলো।
গত বৃহস্পতিবার কোর্ট হেয়ারিং করেন লর্ড জাস্টিজ ফ্লাউক্স, লেডী জাস্টিজ কিং এবং লর্ড জাস্টিজ সমন্বয়ে হেয়ারিং বলা হয় শামীমা বেগম বৃটিশ নাগরিক । তাকে বৃটেনে ফিরিয়ে আনতে হবে।
শামীমা বেগমকে ব্রিটেনে ফিরিয়ে আনার আইনি লড়াইয়ের জন্য £৩০০০০ ত্রিশ হাজার পাউন্ড সংগ্রহের ক্যাম্পেইন চলছে।















