ওয়ানবাংলানিউজ: আনুষ্ঠানিকভাবে আজ ১৩জুন শনিবার ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ এর ৯৪হম অফিসিয়াল জন্ম দিন পালন করা হয়েছে। তবে করোনাভাইরাস মহামারির কারনে অনুষ্ঠানটিভাবে বরাবরের মতো জাকজমকপূর্ণভাবে পালন না করে বেশ সীমিত পরিসরে পালন করা হয়েছে। এসময় রানীকে উইন্ডসর ক্যাসলে ওয়েলশ গার্ডের সদস্যরা অভিবাদন জানায়।
করোনা পরিস্থিতির কারনে ট্রাডিশনাল ট্রপিং কালার প্যারেড বাতিল করা হয়। রানীর ৬৪ বছরের রাজত্বকালে এটি দ্বিতীয়বারের মতো লন্ডনে এই প্যারেড বাতিল করা হয়।
জন্মদিনের অনুষ্ঠানে রানী একাই স্টেইজে ছিলেন। আর এটি মহামারির পরে প্রথমবারের মত জনসম্মূখে উপস্থিত হলে তিনি।

প্রতি বছর রানীর দুইটি জন্মদিন পালিত হয়ে থাকে। একটি এপ্রিলের ২১ তারিখ। আর অফিসিয়াল জন্মদিন পালিত হয় জুনের দ্বিতীয় শনিবার।
আজকের অনুষ্ঠানে মিনি ট্রপিং নামে অনুষ্ঠানে অল্প সংখ্যক ওয়েলশ গার্ডসম্যান রানীকে অভিবাদন জানায়। রানীকে সালাম প্রদর্শনের সময় সরকারী নিয়ম মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সর্তকতার সাথে সালাম ও মার্চ করে রাজকীয় বাহিনীর সদস্যরা।
সামাজিক দূরত্বে কারনে খুবই অল্প সংখ্যক মানুষ এতে উপস্থিত হতে পেরেছিলেন।
এদিকে মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে গত ২১ এপ্রিল নিজের জন্মদিন পালন থেকে বিরত থাকেন ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। এমনকি তিনি তার জন্মদিনে সশস্ত্র সালাম জানাতেও নিষেধ করেন।

ব্রিটিশ রানীর কেন দুইটি জন্মদিন:
যুক্তরাজ্যের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রকৃত জন্মদিনটি হচ্ছে ২১ এপ্রিল। এই দিনটিতেই তিনি জন্মেছিলেন। তবে এছাড়া আরো একটি জন্মদিন আছে ব্রিটিশ রানীর। প্রতিবছর জুন মাসে পালন করা হয় ওই জন্মদিনটি। তার মানে দাঁড়ালো বছরে দুটি জন্মদিন পালন করেন রানী।
তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এর কারণ কী? রাজসিংহাসনে যেই থাকুক না কেন- রাজা অথবা রানী- যুক্তরাজ্য তার অতিরিক্ত একটি জন্মদিন পালন করে, যা তার প্রকৃত জন্মদিন নয়। সাধারণত গ্রীষ্মেই পালিত হয়ে থাকে এই জন্মদিনটি। এর কারণ এই সময়ে আবহাওয়া ভালো থাকে।
২৫০ বছর আগে ব্রিটিশ রাজা দ্বিতীয় জর্জ যখন ক্ষমতায় অর্থাৎ, ১৭৪৮ সাল থেকে রাজা বা রানীর দুটি জন্মদিন পালনের রেওয়াজ শুরু হয়। দ্বিতীয় এই জন্মদিনটিতে ব্রিটিশ রানী নানা রঙে সজ্জিত তার সেনাদলের সঙ্গে কুচকাওয়াজে অংশ নেন। কুচকাওয়াজে থাকে ১ হাজার চারশোর বেশি সরকারি কর্মকর্তা, ২০০ ঘোড়া এবং চারশোরও বেশি সঙ্গীতশিল্পী।
লন্ডনে রানীর বাসভবন বাকিংহাম প্রাসাদ থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে সেনাদলের কুচকাওয়াজ।















