ঢাকা সংবাদদাতা: দু’পক্ষের গুলি বিনিময়ে দুই শিশুসহ চার বেসামরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের তিনজনই পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরের বাসিন্দা। বুধবারের ওই সংঘর্ষে আহত হয়েছে আরো ১২ জনের বেশি মানুষ।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ভারতের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় তিন বেসামরিকের মৃত্যুতে এক ভারতীয় কূটনীতিককে তলব করা হয়েছে।
অপরদিকে, প্রতিবেশী ভারতের সেনা মুখপাত্র লে. কর্নেল দেবেন্দার আনন্দ বলেন, ভারতের বেশ কিছু সেনা পোস্টে গুলি চালিয়েছে পাকিস্তান। তিনি বলেন, ভারতের বেশ কিছু গ্রাম লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এরপরেই ভারতীয় সেনারাও পাল্টা জবাব দিতে গুলি চালিয়েছে। পাক সেনাবাহিনীর গুলিতে ভারতের এক তরুণী এবং বেশ কিছু গবাদী পশুর মৃত্যু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এছাড়া বুধবার ভারতীয় সেনাদের গুলিতে কাশ্মীরে তথাকথিত তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজ্যে অনন্তনাগ দু পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়ে তারা নিহত হন বলে দাবি করেছে ভারত।
প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়া হয়। তারপর থেকেই সেখানে কারফিউ জারি ছিল এবং মোবাইল, ল্যান্ড লাইন ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে সম্প্রতি ল্যান্ডফোন ও পোস্টপেইড মোবাইল সেবা ফের চালু করা হলেও ইন্টারনেট সেবা এখনও বন্ধ রাখা হয়েছে। কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে গেছে। ভারতের এমন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছে পাকিস্তান। এরপর থেকেই কাশ্মীরে বার বার সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে ভারত এবং পাকিস্তানের সেনারা।














